নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচনে তাঁর দলের প্রার্থী ৯০ ভাগ ভোট পাবেন। আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলামের পক্ষে ১২ দফা ইশতেহার ঘোষণার সময় এ কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেছি। এসব কর্মসূচিতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত লক্ষ্য করেছি। একই সঙ্গে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি। ভোট কাস্টিংয়ের ভিত্তিতে ৯০ ভাগের বেশি ভোট পাবেন আমাদের প্রার্থী।’
তিনি এই সময় ১২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। সেগুলো হলো, জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে চট্টগ্রামের রোডম্যাপ তৈরি করে সরকার থেকে উন্নয়ন বরাদ্দ করে সিটি করপোরেশন ও সব উপজেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমভাবে উন্নয়ন করা, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সম্পত্তিসমূহ যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ করা, জেলা পরিষদের নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারী বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্পের মান নিশ্চিত নির্ধারিত সময়ে শেষ করার চেষ্টা করা, অন্যান্য সরকারি সংস্থা ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা।
এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষায় ‘গ্রিন চট্টগ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলা, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা, ছেলে মেয়েদের ক্রীড়ামুখী করতে ইনডোর এবং আউটডোর মান উন্নয়ন গ্রহণ করা, গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা করতে পোলট্রি, ডেইরি ও দুগ্ধ শিল্প, হ্যাচারি শিল্প, গর, ছাগলসহ কৃষিতে বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের উদ্যোগ নেওয়াসহ ১২ দফা ইশতেহার উল্লেখ করা হয়।
আগামী ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৭৬৩ জন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব নারায়ণ রক্ষিত।
চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থীর পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য এবং সাধারণ সদস্যদের ১৬টি ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬৬ জন। এর মধ্যে চারটি সাধারণ ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন চারজন। আগামী ১৭ অক্টোবর ভোট নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ প্রমুখ।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচনে তাঁর দলের প্রার্থী ৯০ ভাগ ভোট পাবেন। আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলামের পক্ষে ১২ দফা ইশতেহার ঘোষণার সময় এ কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেছি। এসব কর্মসূচিতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত লক্ষ্য করেছি। একই সঙ্গে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি। ভোট কাস্টিংয়ের ভিত্তিতে ৯০ ভাগের বেশি ভোট পাবেন আমাদের প্রার্থী।’
তিনি এই সময় ১২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। সেগুলো হলো, জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে চট্টগ্রামের রোডম্যাপ তৈরি করে সরকার থেকে উন্নয়ন বরাদ্দ করে সিটি করপোরেশন ও সব উপজেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমভাবে উন্নয়ন করা, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সম্পত্তিসমূহ যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ করা, জেলা পরিষদের নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারী বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্পের মান নিশ্চিত নির্ধারিত সময়ে শেষ করার চেষ্টা করা, অন্যান্য সরকারি সংস্থা ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা।
এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষায় ‘গ্রিন চট্টগ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলা, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা, ছেলে মেয়েদের ক্রীড়ামুখী করতে ইনডোর এবং আউটডোর মান উন্নয়ন গ্রহণ করা, গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা করতে পোলট্রি, ডেইরি ও দুগ্ধ শিল্প, হ্যাচারি শিল্প, গর, ছাগলসহ কৃষিতে বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের উদ্যোগ নেওয়াসহ ১২ দফা ইশতেহার উল্লেখ করা হয়।
আগামী ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৭৬৩ জন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব নারায়ণ রক্ষিত।
চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থীর পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য এবং সাধারণ সদস্যদের ১৬টি ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬৬ জন। এর মধ্যে চারটি সাধারণ ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন চারজন। আগামী ১৭ অক্টোবর ভোট নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে