বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানে আওয়ামী যুবলীগের জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠনের জন্য তৎপরতা চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জেলার সাত উপজেলা ও দুই পৌরসভায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর জেলা কমিটি গঠন করা হবে। তবে দলের প্রতিটি স্তরেই যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বান্দরবান জেলায় যোগ্য, ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান নেতাকর্মীদের ভবিষ্যতে বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিতে নেওয়ার জন্য এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। দল গোছাতে জেলা, উপজেলা ও পৌর কমিটিগুলো কাজ করে যাচ্ছে।
জানা গেছে, বান্দরবানে সাতটি উপজেলা ও দুটি পৌরসভা কমিটি গঠনের জন্য এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের বিগত সময়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বিগত সময়ে যারা যুবলীগের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের এবার কমিটি গঠনের সময় গুরুত্ব দিয়ে দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে।
যুবলীগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ও পৌর কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য এরই মধ্যে অনেক নেতাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনেকে নেতৃত্বে আসার জন্য জেলা কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ ও নজরে আসার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছেন। এলাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ আগের তুলনায় বাড়িয়ে দিয়েছেন। দলের জন্য আগের চেয়ে বেশি সময় দিচ্ছেন, যাতে করে ভবিষ্যতে কমিটিতে আসতে পারেন।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কেলু মং মারমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্প্রতি জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বান্দরবানের উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠন করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এর পরই জেলা কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
কেলু মং আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের এই নির্দেশনার পর জেলা আহ্বায়ক কমিটি উপজেলা ও পৌর কমিটিগুলো গঠনের জন্য কাজ শুরু করেছে। এরই মধ্যে সৎ, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের জন্য উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ। যুবলীগ হলো আওয়ামী লীগের অন্যতম শক্তি। যুবলীগ শেখ মনির হাতে গড়া সংগঠন, এখানে বিতর্কিতদের কোনো স্থান নেই। যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কিংবা বিতর্ক থাকবে তাদের কমিটিতে আনা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যুবলীগে কোনো বিতর্কিতদের ছাড় দেওয়া হবে না। এরই মধ্যে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে সংগঠন পরিপন্থী ও মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কোনো বিতর্কিতদেরই আগামীতে যুবলীগের কোনো পর্যায়ে রাখা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুবলীগ জেলা কমিটির সদস্যসচিব ও বান্দরবান পৌরসভার কাউন্সিলর মো. ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, যুবলীগ হলো আওয়ামী লীগের অন্যতম শক্তি। এখান থেকেই যোগ্যতা অর্জন করে আগামীতে মূল দলে (আওয়ামী লীগ) যাওয়ার সুযোগ হবে এবং দেশের নেতৃত্বে আসবেন। তাই যোগ্য, দক্ষ ও দলের প্রতি আন্তরিক এবং কোনো বিতর্কিত কার্যক্রমে জড়িত নেই এমন ব্যক্তিদেরই মূল্যায়ন করে আগামীতে কমিটিতে আনা হবে।
ওমর ফারুক আরও বলেন, দল গোছাতে কাজ চলছে। কোনো ব্যত্যয় না হলে আগামী ডিসেম্বর মাসেই কাউন্সিলের মাধ্যমে যুবলীগের উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠন সম্পন্ন করা হবে। উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠনের পরই জেলা কমিটি গঠন করা হবে।

বান্দরবানে আওয়ামী যুবলীগের জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠনের জন্য তৎপরতা চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জেলার সাত উপজেলা ও দুই পৌরসভায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর জেলা কমিটি গঠন করা হবে। তবে দলের প্রতিটি স্তরেই যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বান্দরবান জেলায় যোগ্য, ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান নেতাকর্মীদের ভবিষ্যতে বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিতে নেওয়ার জন্য এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। দল গোছাতে জেলা, উপজেলা ও পৌর কমিটিগুলো কাজ করে যাচ্ছে।
জানা গেছে, বান্দরবানে সাতটি উপজেলা ও দুটি পৌরসভা কমিটি গঠনের জন্য এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের বিগত সময়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বিগত সময়ে যারা যুবলীগের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের এবার কমিটি গঠনের সময় গুরুত্ব দিয়ে দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে।
যুবলীগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ও পৌর কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য এরই মধ্যে অনেক নেতাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনেকে নেতৃত্বে আসার জন্য জেলা কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ ও নজরে আসার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছেন। এলাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ আগের তুলনায় বাড়িয়ে দিয়েছেন। দলের জন্য আগের চেয়ে বেশি সময় দিচ্ছেন, যাতে করে ভবিষ্যতে কমিটিতে আসতে পারেন।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কেলু মং মারমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্প্রতি জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বান্দরবানের উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠন করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এর পরই জেলা কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
কেলু মং আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের এই নির্দেশনার পর জেলা আহ্বায়ক কমিটি উপজেলা ও পৌর কমিটিগুলো গঠনের জন্য কাজ শুরু করেছে। এরই মধ্যে সৎ, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের জন্য উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ। যুবলীগ হলো আওয়ামী লীগের অন্যতম শক্তি। যুবলীগ শেখ মনির হাতে গড়া সংগঠন, এখানে বিতর্কিতদের কোনো স্থান নেই। যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কিংবা বিতর্ক থাকবে তাদের কমিটিতে আনা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যুবলীগে কোনো বিতর্কিতদের ছাড় দেওয়া হবে না। এরই মধ্যে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে সংগঠন পরিপন্থী ও মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কোনো বিতর্কিতদেরই আগামীতে যুবলীগের কোনো পর্যায়ে রাখা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুবলীগ জেলা কমিটির সদস্যসচিব ও বান্দরবান পৌরসভার কাউন্সিলর মো. ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, যুবলীগ হলো আওয়ামী লীগের অন্যতম শক্তি। এখান থেকেই যোগ্যতা অর্জন করে আগামীতে মূল দলে (আওয়ামী লীগ) যাওয়ার সুযোগ হবে এবং দেশের নেতৃত্বে আসবেন। তাই যোগ্য, দক্ষ ও দলের প্রতি আন্তরিক এবং কোনো বিতর্কিত কার্যক্রমে জড়িত নেই এমন ব্যক্তিদেরই মূল্যায়ন করে আগামীতে কমিটিতে আনা হবে।
ওমর ফারুক আরও বলেন, দল গোছাতে কাজ চলছে। কোনো ব্যত্যয় না হলে আগামী ডিসেম্বর মাসেই কাউন্সিলের মাধ্যমে যুবলীগের উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠন সম্পন্ন করা হবে। উপজেলা ও পৌর কমিটি গঠনের পরই জেলা কমিটি গঠন করা হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে