ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হৃদয় (২৫) নামে এক যুবককে খুন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
নিহত যুবক যাত্রাপুর গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে।
খবর পেয়ে থানা–পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডের মুলহোতা রুবেল (৪০) ওই এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন জেনে পুলিশ পুরো গ্রাম ঘিরে ফেলে। পরে ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্যে একটি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে হৃদয়কে তার বাড়ি থেকে ডেকে মাদক ব্যবসায়ী রুবেল তার বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ির উঠোনে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির এক পর্যায়ে হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করে রুবেল পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন হৃদয়কে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভৈরব এলাকায় মারা যায়। নিহত হৃদয় ও রুবেলের বাড়ি যাত্রাপুর গ্রামের একই পাড়ায়। রুবেলের নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা মো. জসিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে হৃদয়কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় রুবেল। কিছুক্ষণ পরে আমার মেয়ের জামাইয়ের ফোনে জানতে পারি, আমার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে। পরে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে হৃদয় মারা যায়।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি।’
এই ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বলা যাচ্ছে না। ঘটনার মূলহোতা রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যা মামলা রুজু করার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হৃদয় (২৫) নামে এক যুবককে খুন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
নিহত যুবক যাত্রাপুর গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে।
খবর পেয়ে থানা–পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডের মুলহোতা রুবেল (৪০) ওই এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন জেনে পুলিশ পুরো গ্রাম ঘিরে ফেলে। পরে ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্যে একটি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে হৃদয়কে তার বাড়ি থেকে ডেকে মাদক ব্যবসায়ী রুবেল তার বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ির উঠোনে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির এক পর্যায়ে হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করে রুবেল পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন হৃদয়কে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভৈরব এলাকায় মারা যায়। নিহত হৃদয় ও রুবেলের বাড়ি যাত্রাপুর গ্রামের একই পাড়ায়। রুবেলের নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা মো. জসিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে হৃদয়কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় রুবেল। কিছুক্ষণ পরে আমার মেয়ের জামাইয়ের ফোনে জানতে পারি, আমার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে। পরে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে হৃদয় মারা যায়।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি।’
এই ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বলা যাচ্ছে না। ঘটনার মূলহোতা রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যা মামলা রুজু করার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে