প্রতিনিধি, রাঙামাটি

পাহাড়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যার দিক দিয়ে কম ২য় জনগোষ্ঠী খুমী। সর্বশেষ জরিপের তথ্যমতে, এদের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ শ। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে আছে এ জনগোষ্ঠীটি। তবে শিক্ষায় এখনো অনেক পিছিয়ে আছেন খুমীরা।
খুমীদের বসবাস বান্দরবান জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। থানচি উপজেলার রেমাক্রী, তিন্দু এবং বলিপাড়া ইউনিয়নে ১৭ থেকে ১৮টি পাড়া, রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নে ৬,৭, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৫টি পাড়া, রুমা উপজেলার রুমা এবং রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নে ১১টি পাড়া রয়েছে। এ ছাড়া রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বান্দরবান-রাঙামাটি সীমান্ত এলাকা ৫ থেকে ৬ পরিবারের বসবাস রয়েছে।
এ জনগোষ্ঠী থেকে মাত্র একজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি লেলুং খুমী। এ জনগোষ্ঠী থেকে নেই কোনো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। শুধু আছে তিনজন জনপ্রতিনিধি। এদের মধ্যে দুজন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। একজন জেলা পরিষদের সদস্য। জেলা পরিষদের সদস্যর নাম শি অং খুমী।
শি অং খুমী বলেন, খুমীরা বর্তমানে বিসিএসের স্বপ্ন দেখেন না। এদের মধ্যে স্নাতক পাস করেছেন মাত্র ৫ জন। সরকারি চাকরি করছেন ১৪ থেকে ১৫ জন। এদের মধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক। ১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক। এর ওপরের পদে কোনো চাকরিজীবী নেই।
খুমীদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা রয়েছে। তারা তিন ধর্ম অনুসরণ করে। এদের একটি অংশ ম্রোদের ক্রামা ধর্ম, একটি অংশ খ্রিষ্টান, আরেকটি অংশ বৌদ্ধ ধর্ম পালন করেন। সামাজিক উৎসবের মধ্যে সাংক্রাইন বলা হলেও এরা এ সময় বড় উৎসব করে না। প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল এ জনগোষ্ঠী বড় উৎসবের আয়োজন তখনই, যখন নতুন ধান ঘরে তুলে। খুমীরা বিয়ের সময়, নতুন ঘরে ওঠার সময়, কোনো অসুস্থ ব্যক্তির রোগ মুক্তির কামনায় বা প্রত্যাশার চাইতে অতিরিক্ত ফসল পেলে পশু মেরে অনুষ্ঠান করেন।
খুমীদের একমাত্র স্নাতকোত্তর করা লেলুং খুমী বলেন, খুমীদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে হলে রাষ্ট্রকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। খুমীরা সব ক্ষেত্রে বঞ্চিত। এদের জন্য আলাদা কোটা ব্যবস্থা রাখতে হবে। না হলে আমরা হারিয়ে যাব।

পাহাড়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যার দিক দিয়ে কম ২য় জনগোষ্ঠী খুমী। সর্বশেষ জরিপের তথ্যমতে, এদের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ শ। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে আছে এ জনগোষ্ঠীটি। তবে শিক্ষায় এখনো অনেক পিছিয়ে আছেন খুমীরা।
খুমীদের বসবাস বান্দরবান জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। থানচি উপজেলার রেমাক্রী, তিন্দু এবং বলিপাড়া ইউনিয়নে ১৭ থেকে ১৮টি পাড়া, রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নে ৬,৭, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৫টি পাড়া, রুমা উপজেলার রুমা এবং রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নে ১১টি পাড়া রয়েছে। এ ছাড়া রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বান্দরবান-রাঙামাটি সীমান্ত এলাকা ৫ থেকে ৬ পরিবারের বসবাস রয়েছে।
এ জনগোষ্ঠী থেকে মাত্র একজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি লেলুং খুমী। এ জনগোষ্ঠী থেকে নেই কোনো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। শুধু আছে তিনজন জনপ্রতিনিধি। এদের মধ্যে দুজন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। একজন জেলা পরিষদের সদস্য। জেলা পরিষদের সদস্যর নাম শি অং খুমী।
শি অং খুমী বলেন, খুমীরা বর্তমানে বিসিএসের স্বপ্ন দেখেন না। এদের মধ্যে স্নাতক পাস করেছেন মাত্র ৫ জন। সরকারি চাকরি করছেন ১৪ থেকে ১৫ জন। এদের মধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক। ১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক। এর ওপরের পদে কোনো চাকরিজীবী নেই।
খুমীদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা রয়েছে। তারা তিন ধর্ম অনুসরণ করে। এদের একটি অংশ ম্রোদের ক্রামা ধর্ম, একটি অংশ খ্রিষ্টান, আরেকটি অংশ বৌদ্ধ ধর্ম পালন করেন। সামাজিক উৎসবের মধ্যে সাংক্রাইন বলা হলেও এরা এ সময় বড় উৎসব করে না। প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল এ জনগোষ্ঠী বড় উৎসবের আয়োজন তখনই, যখন নতুন ধান ঘরে তুলে। খুমীরা বিয়ের সময়, নতুন ঘরে ওঠার সময়, কোনো অসুস্থ ব্যক্তির রোগ মুক্তির কামনায় বা প্রত্যাশার চাইতে অতিরিক্ত ফসল পেলে পশু মেরে অনুষ্ঠান করেন।
খুমীদের একমাত্র স্নাতকোত্তর করা লেলুং খুমী বলেন, খুমীদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে হলে রাষ্ট্রকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। খুমীরা সব ক্ষেত্রে বঞ্চিত। এদের জন্য আলাদা কোটা ব্যবস্থা রাখতে হবে। না হলে আমরা হারিয়ে যাব।

১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ উপাচার্য (প্রো-ভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১ টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তারা মুক্ত হন।
৫ মিনিট আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৬ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে