
হোমনা উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তাইজুল ইসলাম মোল্লাকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। আজ মঙ্গলবার উপজেলার শ্রীপুর বাজার আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন ধনু ও তাঁর সমর্থকেরা হত্যার পরিকল্পনা করেছেন এবং তাঁকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। ওই নির্বাচনের আগে এবং এরপর থেকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও পরাজিত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ধনু ও তাঁর সহযোগীরা আমাকে নানাভাবে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে। আমার কর্মী সমর্থকদের মারধর করছে।’
চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘আল্লাহ না করুক, আমি যদি খুন হই, কারা আমাকে খুন করতে পারে আমার স্ত্রীর কাছে তাঁদের নাম লিখে দিয়ে রেখেছি। আমি আমার জানের নিরাপত্তার জন্য গত বছর ১১ নভেম্বর হোমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছি।
লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পরাজিত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ধনু রাজাপুরে সংবাদ সম্মেলন করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছে, আমিও আমার কর্মী সমর্থকেরা নাকি তাঁর কর্মী সমর্থকদের মারধর ও অত্যাচার করছি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমি আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচারও মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে তার কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যারা আমাকে ভোট দিয়েছে এবং যারা আমাকে ভোট দেয় নাই আমি সকলের চেয়ারম্যান। আমার কোনো কর্মী যদি কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত হয়, সে আমার কর্মী না। আমরা গত ৫ বছর সবাই মিলে সুখে শান্তিতে কাটিয়েছি এবারও সবাই মিলে সেভাবেই আমরা থাকতে চাই।’
এ সময় চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম মোল্লা তাঁর জানের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চান।
এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী দেলোয়ার ধনু জানান, ১৯ ফেব্রুয়ারির সংবাদ সম্মেলনে কোনো মিথ্যাচার করেননি তিনি। এ ছাড়া চেয়ারম্যানকে হত্যার পরিকল্পনা হচ্ছে এমন বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক মোল্লা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মো. দাদন মিয়া, ইউপির ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মোসলেম উদ্দিন, ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. তানসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আবদুর রহমান, ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. রফিক মিয়াসহ শতাধিক লোক।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী হতে ৩৮ জন মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নির্বাচন কমিশনে আপিলের পর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ১৩ জন। এখন রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থী ৩২ জন।
১ ঘণ্টা আগে
জীবনের প্রতি ক্রমবর্ধমান বিতৃষ্ণা, হতাশা আর অনিশ্চয়তা মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে চরম সিদ্ধান্তের দিকে। সামাজিক বন্ধন দুর্বল হওয়া, পারিবারিক উষ্ণতার অভাব, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবহেলা মিলিয়ে আত্মহত্যা যেন অনেকের কাছে ‘শেষ মুক্তির পথ’ হয়ে উঠছে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে অস্ত্র কারবারিরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর সীমান্তপথে বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের আনাগোনা। প্রায় প্রতিদিনই ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র। পরিস্থিতি সামাল দিতে জড়িতদের তালিকা করে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের সিদ্ধান্তে ঢাকা-১৯ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়েছে। তবে জোটের আরেক শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেনি। ফলে প্রার্থী না থাকলেও জামায়াতের ভোট কোন বাক্সে গিয়ে পড়বে...
২ ঘণ্টা আগে