চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৬ নম্বর ঘোলপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দেলোয়ার হোসেন মোল্লা সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে আইনজীবী হিসেবেও আদালতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি একই কর্মস্থানে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছেন। ইউপি কার্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাগ্রহীতারা।
দেলোয়ার হোসেন মোল্লা একই উপজেলার ৮ নম্বর মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ফেলনা গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ মোল্লার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা ১৯৮৮ সালে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি বর্তমান কর্মস্থল ঘোলপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। কিন্তু সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে তিনি ২০০৯ সালের ২৫ মে কুমিল্লা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি একই বছরের ১৪ মে আইনজীবী সনদ লাভ করেন। তাঁর কুমিল্লা আদালতের আইনজীবী সদস্য নম্বর-৮৬২।
সরকারি কর্মকর্তা হয়েও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়ে তিনি আইন পেশায় পড়ালেখা চালিয়ে যান। এরপর তিনি আইনজীবী হিসেবে কুমিল্লার আদালতে যোগদান করে নিয়মিতভাবে আদালতে যেতে থাকেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র সচিব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোনো সরকারি কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী সরকারি পদে থেকে অন্য কোনো সংস্থায় যোগদান করতে পারেন না। এতে সরকারের বিধি লঙ্ঘন হয়। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি আইন পেশায় পড়ালেখা করতে চান, তাহলে তাঁকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে।’
এই অভিযোগের বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে আইন পেশায় পড়াশোনা করেছি।’ পড়ালেখা এবং আইনজীবী হিসেবে যোগদান করার সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘শখের বশবর্তী হয়ে আইনজীবী হিসেবে বারে যোগদান করেছি। এখন আমি আদালতে যাই না।’
এ বিষয়ে ঘোলপাশা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে খোকন বলেন, ‘ইউপি সচিব দেলোয়ার হোসেন মোল্লা আইনজীবী হিসেবে কুমিল্লার আদালতে আসা-যাওয়া করেন। আমি নতুন মানুষ, তাই তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থান নিতে পারছি না।’
কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু তাহের বলেন, ‘কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি আইন পেশায় জড়িত হতে চান, তাহলে তাঁকে অবশ্যই অবসরে যেতে হবে অথবা তাঁকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করতে হবে। তথ্য গোপন করে যদি কেউ বার কাউন্সিলের সনদ লাভ করে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সনদ বাতিল করা হবে।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি সরকারি পদে থাকলে তিনি অন্য কোনো সংস্থায় চাকরি বা কাজ করতে পারেন না। এটা সরকারি বিধি লঙ্ঘন। দেলোয়ার হোসেন মোল্লার বিষয়টি আমি এইমাত্র শুনেছি। খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলকে অবগত করব।’
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘আমি আপনার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিয়ে বলতে পারব।’

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৬ নম্বর ঘোলপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দেলোয়ার হোসেন মোল্লা সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে আইনজীবী হিসেবেও আদালতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি একই কর্মস্থানে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছেন। ইউপি কার্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাগ্রহীতারা।
দেলোয়ার হোসেন মোল্লা একই উপজেলার ৮ নম্বর মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ফেলনা গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ মোল্লার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা ১৯৮৮ সালে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি বর্তমান কর্মস্থল ঘোলপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। কিন্তু সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে তিনি ২০০৯ সালের ২৫ মে কুমিল্লা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি একই বছরের ১৪ মে আইনজীবী সনদ লাভ করেন। তাঁর কুমিল্লা আদালতের আইনজীবী সদস্য নম্বর-৮৬২।
সরকারি কর্মকর্তা হয়েও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়ে তিনি আইন পেশায় পড়ালেখা চালিয়ে যান। এরপর তিনি আইনজীবী হিসেবে কুমিল্লার আদালতে যোগদান করে নিয়মিতভাবে আদালতে যেতে থাকেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র সচিব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোনো সরকারি কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী সরকারি পদে থেকে অন্য কোনো সংস্থায় যোগদান করতে পারেন না। এতে সরকারের বিধি লঙ্ঘন হয়। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি আইন পেশায় পড়ালেখা করতে চান, তাহলে তাঁকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে।’
এই অভিযোগের বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে আইন পেশায় পড়াশোনা করেছি।’ পড়ালেখা এবং আইনজীবী হিসেবে যোগদান করার সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘শখের বশবর্তী হয়ে আইনজীবী হিসেবে বারে যোগদান করেছি। এখন আমি আদালতে যাই না।’
এ বিষয়ে ঘোলপাশা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে খোকন বলেন, ‘ইউপি সচিব দেলোয়ার হোসেন মোল্লা আইনজীবী হিসেবে কুমিল্লার আদালতে আসা-যাওয়া করেন। আমি নতুন মানুষ, তাই তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থান নিতে পারছি না।’
কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু তাহের বলেন, ‘কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি আইন পেশায় জড়িত হতে চান, তাহলে তাঁকে অবশ্যই অবসরে যেতে হবে অথবা তাঁকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করতে হবে। তথ্য গোপন করে যদি কেউ বার কাউন্সিলের সনদ লাভ করে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সনদ বাতিল করা হবে।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি সরকারি পদে থাকলে তিনি অন্য কোনো সংস্থায় চাকরি বা কাজ করতে পারেন না। এটা সরকারি বিধি লঙ্ঘন। দেলোয়ার হোসেন মোল্লার বিষয়টি আমি এইমাত্র শুনেছি। খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলকে অবগত করব।’
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘আমি আপনার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিয়ে বলতে পারব।’

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশদাতা ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০ মিনিট আগে
শীতে মৌলভীবাজারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্রীমঙ্গলে আজ তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার এই জেলায় বেশি শীত পড়েছে। দিন কিংবা রাতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে এই অঞ্চল। কিছুদিন ধরে বেশির ভাগ সময় কুয়াশার আড়ালে সূর্যের দেখা মেলে না।
৪৪ মিনিট আগে
ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলাঘেঁষা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানির সিম কার্ড। শুধু সীমান্তে নয়, এমন সিমের ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে খোদ ফেনী শহরেও; যা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে...
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি নির্বাচনের খরচের জন্য আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের থেকে তিন দিনে ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬ টাকা পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে