থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় সরকারি মডেল মসজিদ নির্মাণে সাত বছর পার হলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। গণপূর্ত বিভাগের পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজ’ নিজেদের মতো করে ধীরগতিতে কাজ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে মসজিদ উদ্বোধন ও নামাজ আদায় নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে।
জানা যায়, প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে থানচি উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালে গিয়ে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এরপর একাধিকবার সময় বাড়ানোর পরও এখন পর্যন্ত কাজের অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, তিনতলাবিশিষ্ট ভবনের টাইলস লাগানো, রং করা, প্লাস্টার, স্যানিটারি ফিটিংস, পানির লাইন-সংযোগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনো অসমাপ্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মাণে নিম্নমানের বালু, সিমেন্ট ও রড ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক সময় প্রকৌশলীর উপস্থিতি ছাড়াই ছাদের ঢালাই ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
থানচি উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আনিচ উল্লাহ মোবারক বলেন, সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এত দেরিতে বাস্তবায়ন হচ্ছে কেন? কার গাফিলতিতে এ বিলম্ব, তা খতিয়ে দেখা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘পাশের উপজেলাগুলোর—আলিকদম, লামা ও রোয়াংছড়ির মডেল মসজিদ উদ্বোধন হয়ে গেছে। অথচ আমাদের থানচিতে কাজই শেষ হয়নি। এতে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।’
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফারুক এন্টারপ্রাইজের মালিক ফারুক আহম্মদ বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি ও দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশের কারণে নির্মাণসামগ্রী পরিবহন ও শ্রমিক পাওয়া কঠিন ছিল। তবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।’
এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের বান্দরবান কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘করোনাকালে কারণে ভূমি অধিগ্রহণ, স্থান নির্ধারণসহ নানা কারণে কাজ পিছিয়েছে। জমিসংক্রান্ত কিছু জটিলতা ছিল, তা কেটে গেছে। দ্রুত রুমা ও থানচির মডেল মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।’

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় সরকারি মডেল মসজিদ নির্মাণে সাত বছর পার হলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। গণপূর্ত বিভাগের পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজ’ নিজেদের মতো করে ধীরগতিতে কাজ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে মসজিদ উদ্বোধন ও নামাজ আদায় নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে।
জানা যায়, প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে থানচি উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালে গিয়ে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এরপর একাধিকবার সময় বাড়ানোর পরও এখন পর্যন্ত কাজের অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, তিনতলাবিশিষ্ট ভবনের টাইলস লাগানো, রং করা, প্লাস্টার, স্যানিটারি ফিটিংস, পানির লাইন-সংযোগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনো অসমাপ্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মাণে নিম্নমানের বালু, সিমেন্ট ও রড ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক সময় প্রকৌশলীর উপস্থিতি ছাড়াই ছাদের ঢালাই ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
থানচি উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আনিচ উল্লাহ মোবারক বলেন, সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এত দেরিতে বাস্তবায়ন হচ্ছে কেন? কার গাফিলতিতে এ বিলম্ব, তা খতিয়ে দেখা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘পাশের উপজেলাগুলোর—আলিকদম, লামা ও রোয়াংছড়ির মডেল মসজিদ উদ্বোধন হয়ে গেছে। অথচ আমাদের থানচিতে কাজই শেষ হয়নি। এতে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।’
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফারুক এন্টারপ্রাইজের মালিক ফারুক আহম্মদ বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি ও দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশের কারণে নির্মাণসামগ্রী পরিবহন ও শ্রমিক পাওয়া কঠিন ছিল। তবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।’
এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের বান্দরবান কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘করোনাকালে কারণে ভূমি অধিগ্রহণ, স্থান নির্ধারণসহ নানা কারণে কাজ পিছিয়েছে। জমিসংক্রান্ত কিছু জটিলতা ছিল, তা কেটে গেছে। দ্রুত রুমা ও থানচির মডেল মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে