দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক হাতে চাপাতি, আরেক হাতে অন্য ব্যক্তির কাটা হাত নিয়ে হেঁটে চলা ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সেই আনিস মিয়া ও তাঁর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত মহিউদ্দিনের বাড়ি দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া এলাকায়। দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের একটি দল আনিস মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল রোববার গ্রেপ্তারের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানায় থানা-পুলিশ।
গত ৭ সেপ্টেম্বর মহিউদ্দিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আনিস মিয়া পলাতক ছিলেন। গতকাল শনিবার রাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে আনিস ও তাঁর সহযোগী শাকিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গৌরীপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস।
এসআই আব্দুল কুদ্দুস জানান, ৭ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া মসজিদসংলগ্ন সড়কে মহিউদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা ও তাঁর ডান হাতের কনুই বিচ্ছিন্ন করে হামলাকারীরা। বিচ্ছিন্ন হাতের ওই অংশ নিয়ে হেঁটে যাওয়া আনিসের ১১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, আনিস এক হাতে চাপাতি, আরেক হাতে মহিউদ্দিনের কাটা হাতের অংশ ঘোরাতে ঘোরাতে হেঁটে যাচ্ছেন।
মহিউদ্দিনের মা মনোয়ারা বেগম আনিসকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামে দাউদকান্দি মডেল থানায় ৮ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন। প্রধান আসামি আনিসের (২৬) বাড়ি জেলার চান্দিনা উপজেলার শালিখা গ্রামে। দুই নম্বর আসামি দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের শাকিল মিয়াকে (২৮) গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার আরেক আসামি গৌরীপুর গ্রামের বাবুকে (২০) হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
এসআই আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘গতকাল রোববার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন আনিস মিয়া।’

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক হাতে চাপাতি, আরেক হাতে অন্য ব্যক্তির কাটা হাত নিয়ে হেঁটে চলা ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সেই আনিস মিয়া ও তাঁর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত মহিউদ্দিনের বাড়ি দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া এলাকায়। দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের একটি দল আনিস মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল রোববার গ্রেপ্তারের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানায় থানা-পুলিশ।
গত ৭ সেপ্টেম্বর মহিউদ্দিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আনিস মিয়া পলাতক ছিলেন। গতকাল শনিবার রাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে আনিস ও তাঁর সহযোগী শাকিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গৌরীপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস।
এসআই আব্দুল কুদ্দুস জানান, ৭ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া মসজিদসংলগ্ন সড়কে মহিউদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা ও তাঁর ডান হাতের কনুই বিচ্ছিন্ন করে হামলাকারীরা। বিচ্ছিন্ন হাতের ওই অংশ নিয়ে হেঁটে যাওয়া আনিসের ১১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, আনিস এক হাতে চাপাতি, আরেক হাতে মহিউদ্দিনের কাটা হাতের অংশ ঘোরাতে ঘোরাতে হেঁটে যাচ্ছেন।
মহিউদ্দিনের মা মনোয়ারা বেগম আনিসকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামে দাউদকান্দি মডেল থানায় ৮ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন। প্রধান আসামি আনিসের (২৬) বাড়ি জেলার চান্দিনা উপজেলার শালিখা গ্রামে। দুই নম্বর আসামি দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের শাকিল মিয়াকে (২৮) গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার আরেক আসামি গৌরীপুর গ্রামের বাবুকে (২০) হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
এসআই আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘গতকাল রোববার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন আনিস মিয়া।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে গতকাল সোমবার রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলাকালে শামসুজ্জামান ডাবলু (৫২) নামের এক বিএনপি নেতা মারা গেছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে ডাবলুর।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে