
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় মোহাম্মদ ছামিম (১৮) নামে এক যুবককে বেধড়ক মারধর ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আজ রোববার (১৭ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ঝি-বা-শি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ছামিম ওই ইউনিয়নের শাহাদতের নতুন বাড়ির বাসিন্দা মো. শাহাদতের ছেলে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন বারখাইন ইউনিয়নের শিলাইগড়া এলাকার মো. হাশেম (২৫), মো. সৈয়দ (৪৮), মো. সিরাজ (৪৬) ও মো. জাহেদ (২০)।
আহত ছামিম জানান, দিনের বেলায় স্কুলের সামনে হাশেম প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করছিলেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হয়।
তিনি বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় তারা আমার ওপর হামলা করেছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পাবে। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

চট্টগ্রাম নগরের নাসিরাবাদে নিজ কার্যালয়ে এসপি মাসুদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, রাউজানে সন্ত্রাস ও টার্গেট কিলিং ঠেকাতে সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে পুলিশ।
৩৩ মিনিট আগে
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়কপথে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সারা দেশে মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানান সড়ক পরিবহন, সেতু ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
৩৪ মিনিট আগে
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে দুলাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহত দুলালের স্ত্রী বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।
৪৩ মিনিট আগে
তাজুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার ফাউজুল কবীর মঈনের নেতৃত্বে একটি দল দারুসসালাম এলাকার হোটেল রয়েলে অভিযান চালায়। সেখানে থেকে ৫৫টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ১০টি এয়ারবাড, ১৫টি হাতঘড়ি, চার পিস চেতনানাশক ট্যাবলেট, দুটি চেতনানাশক পুরিয়া, নগদ ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা, ৫৩ দশমিক ৫০...
১ ঘণ্টা আগে