চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিখোঁজের পর দিন তাসনুহা তাবাসসুম নামের তিন বছরের শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির এক চাচিকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে তাসনুহার বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়।
আজ শুক্রবার শিশুটির বাবা রুবেল পাটওয়ারী শাহরাস্তি থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এতে সাথী আক্তারকে (২০) আসামি করা হয়।
জানা গেছে, উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের পানচাইল গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির ট্রাকচালক রুবেল পাটওয়ারীর শিশুসন্তান তাসনুহা তাবাসসুম গত বুধবার দুপুরে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। বাড়ির কোথাও খুঁজে না পেয়ে একপর্যায়ে বাড়ির পুকুরে ডুবুরি দল নামিয়ে তল্লাশি করানো হয়। পুকুরে জাল ফেলেও শিশু তাসনুহাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাড়ির লোকজন পুকুরে একটি বস্তা পুকুরে ভাসতে দেখেন। তাঁরা সেটি ওপরে তুলে খুলে দেখেন, ভেতরে শিশুর লাশ।
বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে তাসনুহার লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় পুলিশ ও এলাকাবাসী তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির চাচার ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্তের চিহ্ন দেখতে পায়। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চাচা রিপন পাটওয়ারী ও চাচি সাথী আক্তারকে আটক করে।
চিতোষী পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদর (ইউপি) সদস্য আমিনুল হক বলেন, ‘আমার আগেই সন্দেহ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আমি শিশুটির চাচার ঘর তল্লাশি করতে বলি। তখন পুলিশ শিশুটির চাচার ঘর তল্লাশি করে কিছু আলামত দেখতে পায়। পরে তাসনুহার চাচি সাথী আক্তার ও চাচা রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে সাথী পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন, তিনি শিশু তাসনুহাকে হত্যা করেছেন।’
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, শিশু তাসনুহা বুধবার সকাল ১০টার দিকে পাশেই তার চাচা রিপনের ঘরে চাচাতো ভাইদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। একপর্যায়ে তার চাচি সাথী ভাতের মাড় গালার সময় তা ছিটকে তাসনুহার শরীরে পড়লে শরীর ঝলসে যায়। তখন তাসনুহা চিৎকার করে করে ওঠে। তার চিৎকার যেন অন্য কেউ শুনতে না পায়, সে জন্য সাথী শিশুটির মুখ ও গলা চেপে ধরেন। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে সে মারা যায়। এরপর তাসনুহার মরদেহ কম্বলে পেঁচিয়ে ঘরের আলমারিতে রাখেন। সন্ধ্যায় আলমারি থেকে নামিয়ে বস্তায় ভরে একটা বড় পাতিলে রাখেন। পর দিন বৃহস্পতিবার দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে রিপন দেখেন, তাঁর ভাতিজির লাশ পাতিলে রাখা। এই কথা তিনি তাঁর বড় ভাবি রোজি আক্তারকে বললে তিনি শুনে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সাথী বস্তাবন্দী লাশ ঘরের পেছনে পুকুরে ফেলে দেন।
তাসনুহার বাবা রুবেল পাটওয়ারী বলেন, ‘আমাদের একমাত্র আদরের মেয়ে তাসনুহা তাবাসসুমকে হারাইয়া কী কইরা থাকমু ভাই? আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাসনুহা তাবাসসুম বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা ডুবুরি দিয়ে পুকুরে অভিযান চালিয়েও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। পরে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আসামি সাথী আক্তারকে চাঁদপুর আদালতে হাজির করা হয়েছে। আটক তাঁর স্বামীকে মামলায় ঘটনার সাক্ষী করা হয়েছে।’

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিখোঁজের পর দিন তাসনুহা তাবাসসুম নামের তিন বছরের শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির এক চাচিকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে তাসনুহার বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়।
আজ শুক্রবার শিশুটির বাবা রুবেল পাটওয়ারী শাহরাস্তি থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এতে সাথী আক্তারকে (২০) আসামি করা হয়।
জানা গেছে, উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের পানচাইল গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির ট্রাকচালক রুবেল পাটওয়ারীর শিশুসন্তান তাসনুহা তাবাসসুম গত বুধবার দুপুরে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। বাড়ির কোথাও খুঁজে না পেয়ে একপর্যায়ে বাড়ির পুকুরে ডুবুরি দল নামিয়ে তল্লাশি করানো হয়। পুকুরে জাল ফেলেও শিশু তাসনুহাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাড়ির লোকজন পুকুরে একটি বস্তা পুকুরে ভাসতে দেখেন। তাঁরা সেটি ওপরে তুলে খুলে দেখেন, ভেতরে শিশুর লাশ।
বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে তাসনুহার লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় পুলিশ ও এলাকাবাসী তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির চাচার ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্তের চিহ্ন দেখতে পায়। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চাচা রিপন পাটওয়ারী ও চাচি সাথী আক্তারকে আটক করে।
চিতোষী পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদর (ইউপি) সদস্য আমিনুল হক বলেন, ‘আমার আগেই সন্দেহ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আমি শিশুটির চাচার ঘর তল্লাশি করতে বলি। তখন পুলিশ শিশুটির চাচার ঘর তল্লাশি করে কিছু আলামত দেখতে পায়। পরে তাসনুহার চাচি সাথী আক্তার ও চাচা রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে সাথী পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন, তিনি শিশু তাসনুহাকে হত্যা করেছেন।’
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, শিশু তাসনুহা বুধবার সকাল ১০টার দিকে পাশেই তার চাচা রিপনের ঘরে চাচাতো ভাইদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। একপর্যায়ে তার চাচি সাথী ভাতের মাড় গালার সময় তা ছিটকে তাসনুহার শরীরে পড়লে শরীর ঝলসে যায়। তখন তাসনুহা চিৎকার করে করে ওঠে। তার চিৎকার যেন অন্য কেউ শুনতে না পায়, সে জন্য সাথী শিশুটির মুখ ও গলা চেপে ধরেন। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে সে মারা যায়। এরপর তাসনুহার মরদেহ কম্বলে পেঁচিয়ে ঘরের আলমারিতে রাখেন। সন্ধ্যায় আলমারি থেকে নামিয়ে বস্তায় ভরে একটা বড় পাতিলে রাখেন। পর দিন বৃহস্পতিবার দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে রিপন দেখেন, তাঁর ভাতিজির লাশ পাতিলে রাখা। এই কথা তিনি তাঁর বড় ভাবি রোজি আক্তারকে বললে তিনি শুনে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সাথী বস্তাবন্দী লাশ ঘরের পেছনে পুকুরে ফেলে দেন।
তাসনুহার বাবা রুবেল পাটওয়ারী বলেন, ‘আমাদের একমাত্র আদরের মেয়ে তাসনুহা তাবাসসুমকে হারাইয়া কী কইরা থাকমু ভাই? আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাসনুহা তাবাসসুম বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা ডুবুরি দিয়ে পুকুরে অভিযান চালিয়েও শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। পরে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আসামি সাথী আক্তারকে চাঁদপুর আদালতে হাজির করা হয়েছে। আটক তাঁর স্বামীকে মামলায় ঘটনার সাক্ষী করা হয়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২৪ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে