
অভিযুক্ত স্বপ্না খাতুন ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্রথমত ধর্ষণ, দ্বিতীয়ত হত্যাকাণ্ড, তৃতীয়ত লাশ গুম করার চেষ্টা এবং সর্বোপরি অভিযুক্ত সোহেল রানাকে জানার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে দেওয়ার মাধ্যমে সহায়তা ও অপরাধের সাক্ষ্য-প্রমাণ বিলোপসাধনের অপরাধ করেছেন...

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই জরিমানার টাকা পাবে শিশুর উত্তরাধিকারীগণ। আজ রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুদণ্ডের রায় হলে সেটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে শুনানি হতে হয়। সাধারণত পুরোনো মামলার শুনানি আগে এবং নতুন মামলার শুনানি পরে হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও দেখা গেছে।

ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষে সোহেল ও স্বপ্না দুজনই নীরব ছিলেন। কাঠগড়া থেকে বের করার সময়ও কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি। রায় পড়ার আগে স্বপ্নাকে কিছু সময় কাঁদতে দেখা যায়। সোহেল স্বাভাবিক আচরণ করেন।