গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বহিপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাউনি কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেছে। খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালাতে হচ্ছে। মেরামতের সহযোগিতা চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গত সোমবার রাতে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় হয়। এতে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি আম, পাকা ধান, ঘরবাড়ি ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ওই রাতের ঝড়ে রহনপুর পৌর এলাকার বহিপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষের টিনের ছাউনি উড়ে যায়। খোলা আকাশের নিচে ক্লাস চলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হ্নদয় আলী বলে, ‘সকালে বিদ্যালয়ে এসে দেখি ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিকক্ষের টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। শ্রেণিকক্ষের ভেতরেই খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে হচ্ছে।’
আরেক শিক্ষার্থী শামসুন্নাহার বলে, খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে অসুবিধা হচ্ছে। রোদ আর গরমে বসে থাকা যায় না। দ্রুত টিনের ছাউনিটি মেরামতের দাবি জানায় সে।
অভিভাবক খাইরুল ইসলাম জানান, ইতিপূর্বে বিদ্যালয়টি কয়েকবার ঝড়ে একই অবস্থা হয়েছিল। তিনি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘টিনের ছাউনি দিয়ে আর নয়, নতুন করে পাকা বিল্ডিংয়ের ভিত তৈরি করা হোক।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। যেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পাঠদানে অংশ নিতে পারে।’
জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঘর ও ঘরের ছাউনিগুলো মেরামতের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে আশ্বস্ত করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়েছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বহিপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাউনি কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেছে। খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালাতে হচ্ছে। মেরামতের সহযোগিতা চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গত সোমবার রাতে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় হয়। এতে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি আম, পাকা ধান, ঘরবাড়ি ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ওই রাতের ঝড়ে রহনপুর পৌর এলাকার বহিপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষের টিনের ছাউনি উড়ে যায়। খোলা আকাশের নিচে ক্লাস চলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হ্নদয় আলী বলে, ‘সকালে বিদ্যালয়ে এসে দেখি ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিকক্ষের টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। শ্রেণিকক্ষের ভেতরেই খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে হচ্ছে।’
আরেক শিক্ষার্থী শামসুন্নাহার বলে, খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে অসুবিধা হচ্ছে। রোদ আর গরমে বসে থাকা যায় না। দ্রুত টিনের ছাউনিটি মেরামতের দাবি জানায় সে।
অভিভাবক খাইরুল ইসলাম জানান, ইতিপূর্বে বিদ্যালয়টি কয়েকবার ঝড়ে একই অবস্থা হয়েছিল। তিনি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘টিনের ছাউনি দিয়ে আর নয়, নতুন করে পাকা বিল্ডিংয়ের ভিত তৈরি করা হোক।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। যেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পাঠদানে অংশ নিতে পারে।’
জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঘর ও ঘরের ছাউনিগুলো মেরামতের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে আশ্বস্ত করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে