গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে বাড়িঘর, দোকানপাট, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা, ধানসহ সবজি বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে আম ঝরে গেছে। এতে আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। ঝড়ের কবলে পড়ে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গত রোববার রাত পৌনে ৯টার পর হঠাৎ কালবৈশাখীর ঝড় ওঠে। ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রচণ্ড ঝড়ে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থান লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে বাড়ি-ঘর, দোকানপাটের টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং অনেক বাড়ি ভেঙে যায়। বোরোধান, ভুট্টা, কলা সবজিসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে অনেক আমবাগানের আম অর্ধেক পড়ে গেছে।
রাস্তা ধারে গাছপালা পড়ে রয়েছে। এতে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনেক স্থানে বিদ্যুতের তারে গাছ পড়ে রয়েছে। কোথায় কোথায় বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে আছে। ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
রহনপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ বলেন, তাঁর বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। বাড়ির আসবাবপত্র ভেঙে যায় এবং ঘরের ভেতর পানি পড়ে বিছানাপত্র ভিজে গেছে।
পার্বতীপুর এলাকার বাসিন্দা জবদুল হক বলেন, তাঁর নিজস্ব ১০ বিঘার ওপরে জমিতে আমবাগান রয়েছে। কিন্তু রোববারের রাতের ঝড়ে গাছের অর্ধেকের আম পড়ে গেছে। তবে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। অনেক স্বপ্ন ছিল আম নিয়ে।
রহনপুর পৌর কাশিমপুর মহল্লার বাসিন্দা রুবেল, ডালিম, মাসির জানান, তাঁদের মহল্লার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বেশি বয়ে গেছে। মহল্লার অনেকের বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। রাস্তার ধারে নিমগাছ, খেজুর গাছ, কলার বাগান, তালগাছ পড়ে গেছে। গাছগুলোর রাস্তা ওপরে বিদ্যুৎ তারে পড়ে যাওয়া বাড়ি ঘরের বা প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে রাস্তা পড়ে আছে।
এমরান আলী বাবু নামে আশ্রয় প্রকল্পের উপকারভোগী জানান, তাঁর বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। আহত ‘ষাঁড় বুরুজ’ গ্রামের বাসিন্দা জামরুল ইসলাম বলেন, তিনি ঝড়ের সময় খোঁয়াড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ একটি ইট উড়ে এসে মাথায় আঘাত করে। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে তিনি জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার বলেন, উপজেলা আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মধ্যে পড়ে। এতে আমসহ সবজি ফসলের ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার চার হাজার ২২০ হেক্টর জমির বিপরীতে ২১০ হেক্টর জমির আম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা উৎপাদন ক্ষতির পরিমাণ ৫০৪ মেট্রিকটন।
গোমস্তাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাবিবুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করলে পরবর্তীকে তাদের সহায়তা করা হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে বাড়িঘর, দোকানপাট, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা, ধানসহ সবজি বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে আম ঝরে গেছে। এতে আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। ঝড়ের কবলে পড়ে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গত রোববার রাত পৌনে ৯টার পর হঠাৎ কালবৈশাখীর ঝড় ওঠে। ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রচণ্ড ঝড়ে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থান লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে বাড়ি-ঘর, দোকানপাটের টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং অনেক বাড়ি ভেঙে যায়। বোরোধান, ভুট্টা, কলা সবজিসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে অনেক আমবাগানের আম অর্ধেক পড়ে গেছে।
রাস্তা ধারে গাছপালা পড়ে রয়েছে। এতে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনেক স্থানে বিদ্যুতের তারে গাছ পড়ে রয়েছে। কোথায় কোথায় বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে আছে। ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
রহনপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ বলেন, তাঁর বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। বাড়ির আসবাবপত্র ভেঙে যায় এবং ঘরের ভেতর পানি পড়ে বিছানাপত্র ভিজে গেছে।
পার্বতীপুর এলাকার বাসিন্দা জবদুল হক বলেন, তাঁর নিজস্ব ১০ বিঘার ওপরে জমিতে আমবাগান রয়েছে। কিন্তু রোববারের রাতের ঝড়ে গাছের অর্ধেকের আম পড়ে গেছে। তবে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। অনেক স্বপ্ন ছিল আম নিয়ে।
রহনপুর পৌর কাশিমপুর মহল্লার বাসিন্দা রুবেল, ডালিম, মাসির জানান, তাঁদের মহল্লার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বেশি বয়ে গেছে। মহল্লার অনেকের বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। রাস্তার ধারে নিমগাছ, খেজুর গাছ, কলার বাগান, তালগাছ পড়ে গেছে। গাছগুলোর রাস্তা ওপরে বিদ্যুৎ তারে পড়ে যাওয়া বাড়ি ঘরের বা প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে রাস্তা পড়ে আছে।
এমরান আলী বাবু নামে আশ্রয় প্রকল্পের উপকারভোগী জানান, তাঁর বাড়ির টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। আহত ‘ষাঁড় বুরুজ’ গ্রামের বাসিন্দা জামরুল ইসলাম বলেন, তিনি ঝড়ের সময় খোঁয়াড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ একটি ইট উড়ে এসে মাথায় আঘাত করে। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে তিনি জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার বলেন, উপজেলা আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মধ্যে পড়ে। এতে আমসহ সবজি ফসলের ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার চার হাজার ২২০ হেক্টর জমির বিপরীতে ২১০ হেক্টর জমির আম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা উৎপাদন ক্ষতির পরিমাণ ৫০৪ মেট্রিকটন।
গোমস্তাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাবিবুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করলে পরবর্তীকে তাদের সহায়তা করা হবে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৪২ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে