চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরবাসী। রোববার (২০ জুলাই) সকালে কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়। এতে স্কুলশিক্ষার্থী, পথচারী, যানবাহন ও মার্কেটে আসা সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।
সরেজমিন দেখা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ডিসি কার্যালয়ের সামনে কালেক্টর চত্বর, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনেসহ নিউমার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, প্রফেসরপাড়া, বালুবাগান, আরামবাগ, মেথরপাড়া, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে, বাতেন খাঁসহ অনেক জায়গায় হাঁটুপানি জমে আছে।
পৌরবাসীর অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণেই অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় এবং সময়মতো ড্রেন পরিষ্কার না করায় এমন পরিস্থিতি। তাঁরা বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ছোট ছোট ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যেগুলো কার্যকর নয়।
আরামবাগ এলাকার বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমরা এক অথই সাগরে বসবাস করছি। অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি হয়ে যায়, বাসা থেকে বের হওয়া দায় হয়ে পড়ে। অথর্ব পৌর প্রশাসক কিছুই করছে না।’
প্রফেসরপাড়ার বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, ‘একটু বৃষ্টিতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে পৌরসভা কি ঘুমিয়ে আছে? নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের পাশে ছোট ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে, তা-ও ঢিমেতালে। এভাবে পানি নিষ্কাশন সম্ভব নয়। এটা শুধুই টাকা অপচয়ের কাজ।’
ক্লাব সুপার মার্কেটের দোকানদার ফেরদৌস হোসেন বলেন, ‘আজ কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতেই পুরো মার্কেট পানিতে ডুবে গেছে। আগেও অল্প বৃষ্টিতে এমন হয়েছে। নিউমার্কেটেও একই অবস্থা।’
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তোফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ড্রেন নির্মাণ চলছে। বৃষ্টির কারণে কাজ কিছুটা ধীর গতিতে চলছে। কাজ শেষ হলে কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন অর রশীদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে। আমরা সাধ্যমতো লোকবল দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করছি। তবে পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। এর জন্য পৌরবাসীও দায়ী, তাঁরা ড্রেনে ময়লা ফেলে ড্রেন বন্ধ করে দিচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীতে পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে একটি “মাস্টার প্ল্যান” করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে আশা করি সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।’

অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরবাসী। রোববার (২০ জুলাই) সকালে কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়। এতে স্কুলশিক্ষার্থী, পথচারী, যানবাহন ও মার্কেটে আসা সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।
সরেজমিন দেখা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ডিসি কার্যালয়ের সামনে কালেক্টর চত্বর, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনেসহ নিউমার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, প্রফেসরপাড়া, বালুবাগান, আরামবাগ, মেথরপাড়া, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে, বাতেন খাঁসহ অনেক জায়গায় হাঁটুপানি জমে আছে।
পৌরবাসীর অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণেই অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় এবং সময়মতো ড্রেন পরিষ্কার না করায় এমন পরিস্থিতি। তাঁরা বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ছোট ছোট ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যেগুলো কার্যকর নয়।
আরামবাগ এলাকার বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমরা এক অথই সাগরে বসবাস করছি। অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি হয়ে যায়, বাসা থেকে বের হওয়া দায় হয়ে পড়ে। অথর্ব পৌর প্রশাসক কিছুই করছে না।’
প্রফেসরপাড়ার বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, ‘একটু বৃষ্টিতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে পৌরসভা কি ঘুমিয়ে আছে? নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের পাশে ছোট ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে, তা-ও ঢিমেতালে। এভাবে পানি নিষ্কাশন সম্ভব নয়। এটা শুধুই টাকা অপচয়ের কাজ।’
ক্লাব সুপার মার্কেটের দোকানদার ফেরদৌস হোসেন বলেন, ‘আজ কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতেই পুরো মার্কেট পানিতে ডুবে গেছে। আগেও অল্প বৃষ্টিতে এমন হয়েছে। নিউমার্কেটেও একই অবস্থা।’
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তোফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ড্রেন নির্মাণ চলছে। বৃষ্টির কারণে কাজ কিছুটা ধীর গতিতে চলছে। কাজ শেষ হলে কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন অর রশীদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে। আমরা সাধ্যমতো লোকবল দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করছি। তবে পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। এর জন্য পৌরবাসীও দায়ী, তাঁরা ড্রেনে ময়লা ফেলে ড্রেন বন্ধ করে দিচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীতে পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে একটি “মাস্টার প্ল্যান” করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে আশা করি সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে