চাঁদপুর প্রতিনিধি

জাটকা রক্ষার অভিযানে ব্যস্ত প্রশাসন। এই সুযোগে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবাধে চিংড়ির রেণু ধরছেন জেলেরা। চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ও চান্দ্রা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় মেঘনা নদীতে প্রকাশ্যে ধরা হচ্ছে এসব চিংড়ি মাছের রেণু।
মেঘনা নদী উপকূলীয় বাখরপুর গুচ্ছগ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা থেকে আসা চিংড়ির রেণু ধরার কাজে নিয়োজিত অর্ধশতাধিক জেলে। তাঁরা দুই মাসের জন্য এই গুচ্ছগ্রামে এসে কয়েকভাবে সরকারি ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার কয়েকটি গ্রুপ খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টানিয়ে থাকছে। রেণু ধরে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় পাচার করছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চিংড়ি পোনা ধরে এনে আশ্রয়কেন্দ্রের পুকুরে জমা করে রাখছেন ড্রাম ও জালের মধ্যে। তাঁদের এই কাজে সহযোগিতা করছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে, শাহ আলম, তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন টাকার বিনিময়ে তাঁদের এখানে আশ্রয় দিয়েছেন।
এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম ও শাহ আলম বলেন, ‘আমরা আশ্রয় না দিলেও তাঁরা কোনো না-কোনোভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মিল করে চিংড়ির রেণু ধরবে। আমরা তাঁদের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা নেই না। যারা বলছেন, এটা মিথ্যা কথা।’
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুর ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় যেকোনো মাছ ধরাই সম্পূর্ণ নিষেধ। যারা মাছের রেণু ধরছে তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামানকে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জাটকা রক্ষার অভিযানে ব্যস্ত প্রশাসন। এই সুযোগে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবাধে চিংড়ির রেণু ধরছেন জেলেরা। চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ও চান্দ্রা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় মেঘনা নদীতে প্রকাশ্যে ধরা হচ্ছে এসব চিংড়ি মাছের রেণু।
মেঘনা নদী উপকূলীয় বাখরপুর গুচ্ছগ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা থেকে আসা চিংড়ির রেণু ধরার কাজে নিয়োজিত অর্ধশতাধিক জেলে। তাঁরা দুই মাসের জন্য এই গুচ্ছগ্রামে এসে কয়েকভাবে সরকারি ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার কয়েকটি গ্রুপ খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টানিয়ে থাকছে। রেণু ধরে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় পাচার করছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চিংড়ি পোনা ধরে এনে আশ্রয়কেন্দ্রের পুকুরে জমা করে রাখছেন ড্রাম ও জালের মধ্যে। তাঁদের এই কাজে সহযোগিতা করছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে, শাহ আলম, তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন টাকার বিনিময়ে তাঁদের এখানে আশ্রয় দিয়েছেন।
এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম ও শাহ আলম বলেন, ‘আমরা আশ্রয় না দিলেও তাঁরা কোনো না-কোনোভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মিল করে চিংড়ির রেণু ধরবে। আমরা তাঁদের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা নেই না। যারা বলছেন, এটা মিথ্যা কথা।’
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুর ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় যেকোনো মাছ ধরাই সম্পূর্ণ নিষেধ। যারা মাছের রেণু ধরছে তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামানকে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে