চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে নিখোঁজের তিন দিন পর আদিবা (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার নায়েরগাঁও ইউনিয়নের পাঁচদোনা গ্রামের একটি পুরোনো খড়ের স্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত ২০ জানুয়ারি বিকেলে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে।
শিশু আদিবা উপজেলার পাঁচদোনা গ্রামের প্রবাসী আলাউদ্দিন প্রধানীয়ার মেয়ে।
আদিবার খেলার সহপাঠী তাসফিয়ার তথ্যমতে, গোলাপ ফুল দেওয়ার কথা বলে ইমন নামের একজন আদিবাকে নিয়ে যায়। সেই সূত্র ধরে আদিবার মা ২১ জানুয়ারি মতলব দক্ষিণ থানায় অপহরণ মামলা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ একই গ্রামের ইমন ও ইয়াছিন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
এলাকাবাসী জানায়, নিখোঁজের পর থেকে এলাকায় মাইকিং করা ছাড়া থানায় জানানো হয়। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও আদিবার সন্ধান দিতে না পারায় গতকাল এলাকায় মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। পরে থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে এলাকার বিভিন্ন পুকুর ও নির্জন স্থানে আদিবাকে খুঁজতে গিয়ে পুরোনো খড়ের স্তূপের ভেতরে মরদেহের সন্ধান পায়।
খবর পেয়ে ছুটে আসে আদিবার সহপাঠী তাসফিয়া। সে আদিবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসফিয়া বলে, ‘আমি আদিবার সঙ্গে যেতে চেয়েছিলাম। ইমন আমাকে ধমক দিয়ে বসিয়ে রাখে। আদিবার জন্য অনেকক্ষণ বসেছিলাম। ইমন আর আদিবা কেউ এল না। আদিবাকে একটি গোলাপ ফুল দেবে বলে আমার কাছ থেকে নিয়ে যায় ইমন।’
আদিবার মা শামিমা আক্তার বলেন, ‘আদিবার সঙ্গে কিসের শত্রুতা ছিল ইমনের, তা আমাদের জানা নেই। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিখোঁজের পর থেকে আমাদের তদন্তকাজ চলছিল। আদিবার মা শামিমা আক্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে নিখোঁজের তিন দিন পর আদিবা (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার নায়েরগাঁও ইউনিয়নের পাঁচদোনা গ্রামের একটি পুরোনো খড়ের স্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত ২০ জানুয়ারি বিকেলে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে।
শিশু আদিবা উপজেলার পাঁচদোনা গ্রামের প্রবাসী আলাউদ্দিন প্রধানীয়ার মেয়ে।
আদিবার খেলার সহপাঠী তাসফিয়ার তথ্যমতে, গোলাপ ফুল দেওয়ার কথা বলে ইমন নামের একজন আদিবাকে নিয়ে যায়। সেই সূত্র ধরে আদিবার মা ২১ জানুয়ারি মতলব দক্ষিণ থানায় অপহরণ মামলা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ একই গ্রামের ইমন ও ইয়াছিন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
এলাকাবাসী জানায়, নিখোঁজের পর থেকে এলাকায় মাইকিং করা ছাড়া থানায় জানানো হয়। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও আদিবার সন্ধান দিতে না পারায় গতকাল এলাকায় মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। পরে থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে এলাকার বিভিন্ন পুকুর ও নির্জন স্থানে আদিবাকে খুঁজতে গিয়ে পুরোনো খড়ের স্তূপের ভেতরে মরদেহের সন্ধান পায়।
খবর পেয়ে ছুটে আসে আদিবার সহপাঠী তাসফিয়া। সে আদিবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসফিয়া বলে, ‘আমি আদিবার সঙ্গে যেতে চেয়েছিলাম। ইমন আমাকে ধমক দিয়ে বসিয়ে রাখে। আদিবার জন্য অনেকক্ষণ বসেছিলাম। ইমন আর আদিবা কেউ এল না। আদিবাকে একটি গোলাপ ফুল দেবে বলে আমার কাছ থেকে নিয়ে যায় ইমন।’
আদিবার মা শামিমা আক্তার বলেন, ‘আদিবার সঙ্গে কিসের শত্রুতা ছিল ইমনের, তা আমাদের জানা নেই। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিখোঁজের পর থেকে আমাদের তদন্তকাজ চলছিল। আদিবার মা শামিমা আক্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে