চাঁদপুর প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আযহার দুই সপ্তাহ বাকি নেই। এরই মধ্যে চাঁদপুরে কোরবানির পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। তুলনামূলক ছোট-বড় সাইজের দেশীয় প্রজাতির গরু হাটে উঠেছে। তবে এই হাটে মৌসুমি ব্যাপারীরাই মূল ক্রেতা। কারণ সাধারণ ক্রেতা আসলেও দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। যে কারণে অনেক বিক্রেতাই হতাশা ব্যক্ত করেছেন।
আজ সোমবার (২ জুন) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সফরমালি কোরবানির পশুহাট ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটিই জানা গেছে।
জেলা সদর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার উত্তরে সফরমালি পশুহাট। সপ্তাহের প্রতি সোমবার নিয়মিত পশুর হাট বসে। কিন্তু ঈদুল আজহা কেন্দ্রিক এটিই প্রথম বাজার। পুরো হাটজুড়েই দেখা গেল দেশি-বিদেশি হাজার হাজার ষাঁড়, বলদ ও গাভি। একই সঙ্গে অনেকে গৃহপালিত ছাগল নিয়ে এসেছেন বিক্রির জন্য। তবে এই বাজারের অধিকাংশ খামারি ও বিক্রেতা হলেন মেঘনা নদীর পশ্চিমের চরাঞ্চলের এবং শরীয়তপুর জেলার।
জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলা থেকে গরু কিনতে এসেছেন শহীদ উল্লাহ সরকার তার ব্যবসায়ী অংশীজন। তিনি বলেন, ‘আজকে বাজারে অনেক গরু উঠেছে। দাম দেখছি। যদি দরদাম বনে তাহলে কিনব। বাজারে গরুর খাবারের দাম বেশি। যে কারণে খামারিরাও দাম কিছুটা বেশি চাচ্ছে।’
শাহরাস্তি থেকে সফরমালির হাটে গরুর দাম দেখতে এসেছেন মৌসুমি গরুর ব্যাপারী রবিউল ও তাঁর কয়েকজন অংশীদার। রবিউল বলেন, ‘পুরো হাট ঘুরে দেখলাম। দুই ব্যাপারীর দুটি করে ৪টি ষাঁড় পছন্দ হয়েছে। ৪টি ১ লাখ ৪ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যে ক্রয় করেছি। এগুলো নিজ এলাকায় নিয়ে বিক্রি করা হবে।’
হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা থেকে ভারতীয় বড় সাইজের ৪টি গরু নিয়ে এসেছেন মুন্না নামের গরুর খামারি। তিনি বলেন, ‘আমি ১১টি ভারতীয় ষাঁড় গত রমজান মাসের পূর্বে কিনেছি। খামারে রেখে দেশীয় ঘাস ও দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে ৭টি বিক্রি হয়ে গেছে। এই ৪ টির প্রত্যকটির দাম উঠেছে ২ লাখ ১৫ হাজার করে। আমি ২ লাখ ৩০ হাজার করে হলে বিক্রি করব।’
শরীয়তপুর থেকে ৭টি দেশীয় জাতের গরু নিয়ে এসেছেন আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আজকে এই হাটে ক্রেতা খুবই কম। কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী এসেছেন। তারা দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। আমার গরুগুলো ৪০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা মূল্যমানের।’
মেঘনা নদীর পশ্চিমের চরাঞ্চল থেকে এসেছেন মো. রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আমি নিজ বাড়িতেই বেশ কয়েকটি ষাঁড় লালন-পালন করে বিক্রির জন্য এনেছি। বাজারে ক্রেতা নেই। পরের হাটে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছি।’
সফরমালি পশুর হাটের পরিচালক আজাদ খান বলেন, ‘আজকে বাজারে অনেক গরু উঠেছে। আমরা ব্যবসায়ীদের সার্বিক নিরাপত্তা দিচ্ছি। আমাদের অনেক লোক ব্যবসায়ীদের যেকোনো সমস্যায় পাশে আছেন।’

পবিত্র ঈদুল আযহার দুই সপ্তাহ বাকি নেই। এরই মধ্যে চাঁদপুরে কোরবানির পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। তুলনামূলক ছোট-বড় সাইজের দেশীয় প্রজাতির গরু হাটে উঠেছে। তবে এই হাটে মৌসুমি ব্যাপারীরাই মূল ক্রেতা। কারণ সাধারণ ক্রেতা আসলেও দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। যে কারণে অনেক বিক্রেতাই হতাশা ব্যক্ত করেছেন।
আজ সোমবার (২ জুন) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সফরমালি কোরবানির পশুহাট ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটিই জানা গেছে।
জেলা সদর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার উত্তরে সফরমালি পশুহাট। সপ্তাহের প্রতি সোমবার নিয়মিত পশুর হাট বসে। কিন্তু ঈদুল আজহা কেন্দ্রিক এটিই প্রথম বাজার। পুরো হাটজুড়েই দেখা গেল দেশি-বিদেশি হাজার হাজার ষাঁড়, বলদ ও গাভি। একই সঙ্গে অনেকে গৃহপালিত ছাগল নিয়ে এসেছেন বিক্রির জন্য। তবে এই বাজারের অধিকাংশ খামারি ও বিক্রেতা হলেন মেঘনা নদীর পশ্চিমের চরাঞ্চলের এবং শরীয়তপুর জেলার।
জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলা থেকে গরু কিনতে এসেছেন শহীদ উল্লাহ সরকার তার ব্যবসায়ী অংশীজন। তিনি বলেন, ‘আজকে বাজারে অনেক গরু উঠেছে। দাম দেখছি। যদি দরদাম বনে তাহলে কিনব। বাজারে গরুর খাবারের দাম বেশি। যে কারণে খামারিরাও দাম কিছুটা বেশি চাচ্ছে।’
শাহরাস্তি থেকে সফরমালির হাটে গরুর দাম দেখতে এসেছেন মৌসুমি গরুর ব্যাপারী রবিউল ও তাঁর কয়েকজন অংশীদার। রবিউল বলেন, ‘পুরো হাট ঘুরে দেখলাম। দুই ব্যাপারীর দুটি করে ৪টি ষাঁড় পছন্দ হয়েছে। ৪টি ১ লাখ ৪ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যে ক্রয় করেছি। এগুলো নিজ এলাকায় নিয়ে বিক্রি করা হবে।’
হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা থেকে ভারতীয় বড় সাইজের ৪টি গরু নিয়ে এসেছেন মুন্না নামের গরুর খামারি। তিনি বলেন, ‘আমি ১১টি ভারতীয় ষাঁড় গত রমজান মাসের পূর্বে কিনেছি। খামারে রেখে দেশীয় ঘাস ও দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে ৭টি বিক্রি হয়ে গেছে। এই ৪ টির প্রত্যকটির দাম উঠেছে ২ লাখ ১৫ হাজার করে। আমি ২ লাখ ৩০ হাজার করে হলে বিক্রি করব।’
শরীয়তপুর থেকে ৭টি দেশীয় জাতের গরু নিয়ে এসেছেন আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আজকে এই হাটে ক্রেতা খুবই কম। কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী এসেছেন। তারা দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। আমার গরুগুলো ৪০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা মূল্যমানের।’
মেঘনা নদীর পশ্চিমের চরাঞ্চল থেকে এসেছেন মো. রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আমি নিজ বাড়িতেই বেশ কয়েকটি ষাঁড় লালন-পালন করে বিক্রির জন্য এনেছি। বাজারে ক্রেতা নেই। পরের হাটে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছি।’
সফরমালি পশুর হাটের পরিচালক আজাদ খান বলেন, ‘আজকে বাজারে অনেক গরু উঠেছে। আমরা ব্যবসায়ীদের সার্বিক নিরাপত্তা দিচ্ছি। আমাদের অনেক লোক ব্যবসায়ীদের যেকোনো সমস্যায় পাশে আছেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে