প্রতিনিধি, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ফেরিঘাটের একটি রাস্তা নির্মাণে বাঁশ ব্যবহার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাঁশ ব্যবহারের ছবি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে মানুষের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের মনতলা-সিতারামপুর ঘাটে ফেরি চলাচলের জন্য সম্প্রতি নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। দুই পাশের রাস্তা নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কাজটি করা হচ্ছে। কিন্তু বাঁশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের ফলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফেরিঘাটের স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাংসদের উদ্যোগে ফেরিঘাটের সংযোগ স্থলে রাস্তাটি করা হচ্ছে। কিন্তু এতে বাঁশ ব্যবহার করা হচ্ছে।
ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা তাজুল ইসলাম বলেন, এভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হলে মাস দুয়েকের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা।
এলাকাবাসীর দাবি, বাঁশ নয় রড দিয়েই করা হোক এই রাস্তা। অন্য বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, দুই পাশের রাস্তা আরও উঁচু করতে হবে। অন্যথায় রাস্তা মজবুত হবে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল ছিদ্দিক বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির বলেন, ‘দেশে যত জায়গায় ফেরি স্থাপন করা হয় সকল জায়গায় বাঁশ, ইট, বালু, দিয়ে কাজ করা হয়। এ কাজগুলো নিজস্ব তত্ত্বাবধানে করা হয়।
বিআইডব্লিউটিএর সহকারী প্রকৌশলী রবিউল আলম বলেন, ‘নদীপাড়ে আরসিসি ঢালাই করা সম্ভব না। সারা দেশে বিআইডব্লিটিএর যত ফেরিঘাট নির্মাণ করা হয়, তা এভাবে করা হয়। মূলত নরম মাটিতে বাঁশগুলো ব্যবহার করলে অতিরিক্ত লোড নিতে পারে। অর্থাৎ রডের মতো কাজ করে। এভাবেই সারা দেশে নদীর পাড়ের ফেরিঘাটের কাজগুলো করা হয়।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ফেরিঘাটের একটি রাস্তা নির্মাণে বাঁশ ব্যবহার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাঁশ ব্যবহারের ছবি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে মানুষের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের মনতলা-সিতারামপুর ঘাটে ফেরি চলাচলের জন্য সম্প্রতি নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। দুই পাশের রাস্তা নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কাজটি করা হচ্ছে। কিন্তু বাঁশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের ফলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফেরিঘাটের স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাংসদের উদ্যোগে ফেরিঘাটের সংযোগ স্থলে রাস্তাটি করা হচ্ছে। কিন্তু এতে বাঁশ ব্যবহার করা হচ্ছে।
ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা তাজুল ইসলাম বলেন, এভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হলে মাস দুয়েকের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা।
এলাকাবাসীর দাবি, বাঁশ নয় রড দিয়েই করা হোক এই রাস্তা। অন্য বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, দুই পাশের রাস্তা আরও উঁচু করতে হবে। অন্যথায় রাস্তা মজবুত হবে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল ছিদ্দিক বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির বলেন, ‘দেশে যত জায়গায় ফেরি স্থাপন করা হয় সকল জায়গায় বাঁশ, ইট, বালু, দিয়ে কাজ করা হয়। এ কাজগুলো নিজস্ব তত্ত্বাবধানে করা হয়।
বিআইডব্লিউটিএর সহকারী প্রকৌশলী রবিউল আলম বলেন, ‘নদীপাড়ে আরসিসি ঢালাই করা সম্ভব না। সারা দেশে বিআইডব্লিটিএর যত ফেরিঘাট নির্মাণ করা হয়, তা এভাবে করা হয়। মূলত নরম মাটিতে বাঁশগুলো ব্যবহার করলে অতিরিক্ত লোড নিতে পারে। অর্থাৎ রডের মতো কাজ করে। এভাবেই সারা দেশে নদীর পাড়ের ফেরিঘাটের কাজগুলো করা হয়।’

বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৫ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে