আখাউড়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রাতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীরা বলছেন, কয়েক দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাদের পোস্টার, ব্যানার ও বিলবোর্ড ছেঁড়া হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত রোববার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে মোগড়া ইউনিয়নের রেলগেট এলাকায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমান এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারীর বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের বিভিন্ন স্থানেও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশন বলেন, ‘মোগড়া রেলগেট এলাকায় আমার একটি ব্যানার ছিল, যাতে সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমানের ছবি ছিল। রাতের আঁধারে কে বা কারা যেন সেটি ছিঁড়ে ফেলে দেয়। শুধু মোগড়াতেই নয়, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
নাছির উদ্দিন হাজারী বলেন, ‘তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে মোগড়া রেলগেট এলাকায় আমার একটি বিশালাকার বিলবোর্ড ছিল। সেটিও রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলা হয়। আমার নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় আমার বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা জানাই।’
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রাতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীরা বলছেন, কয়েক দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাদের পোস্টার, ব্যানার ও বিলবোর্ড ছেঁড়া হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত রোববার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে মোগড়া ইউনিয়নের রেলগেট এলাকায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমান এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারীর বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের বিভিন্ন স্থানেও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশন বলেন, ‘মোগড়া রেলগেট এলাকায় আমার একটি ব্যানার ছিল, যাতে সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমানের ছবি ছিল। রাতের আঁধারে কে বা কারা যেন সেটি ছিঁড়ে ফেলে দেয়। শুধু মোগড়াতেই নয়, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
নাছির উদ্দিন হাজারী বলেন, ‘তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে মোগড়া রেলগেট এলাকায় আমার একটি বিশালাকার বিলবোর্ড ছিল। সেটিও রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলা হয়। আমার নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় আমার বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা জানাই।’
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে