
লেবানন সীমান্তে এক হামলায় আট ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী ও কট্টর ইহুদি জাতীয়তাবাদী বা জায়নিস্ট নেতা বেজালেল স্মতরিচের ছেলেও। স্মতরিচ জানিয়েছেন, হামলায় তাঁর ছেলের লিভার বা যকৃৎ তথা কলিজা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। তবে এখনো তিনি বেঁচে আছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে স্মতরিচ জানিয়েছেন, লেবানন সীমান্তের কাছে এক হামলায় ইসরায়েলের আট সেনা আহত হয়েছেন। সেই হামলায় তাঁর ছেলের কলিজা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
স্মতরিচ বলেন, শুক্রবার লেবানন সীমান্তে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে একটি মর্টার শেল নিক্ষেপ করা হয়। তিনি লেখেন, ‘আহতদের একজন আমার প্রিয় ছেলে—বেনিয়া হেবরন।’ কট্টর ডানপন্থী এই ইসরায়েলি মন্ত্রী জানান, বিস্ফোরণের ধাতব টুকরা বা শার্পনেল তাঁর ছেলের ‘পিঠ ও পেটে ঢুকে যায়।’ পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্মতরিচ আরও বলেন, ‘ঈশ্বরের কৃপায় শার্পনেলের একটি টুকরা তার লিভার ছিঁড়ে পেটের সবচেয়ে বড় রক্তনালির দেয়ালে গিয়ে আটকে থাকে। ঈশ্বর না করুন, যদি সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তাহলে পরিস্থিতি আরও অনেক ভয়াবহ হতে পারত।’

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন—এমন জল্পনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এই দাবি করেছে। তবে এর পক্ষে কোনো শক্তিশালী প্রমাণ তারা দেয়নি।
২৫ মিনিট আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত বহু মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। লেবাননসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও জনবল রয়েছে, তারাও যুদ্ধের ডামাডোলে জড়িয়ে পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে এরই মধ্যে চড়া মূল্য দিতে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতি। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোও এক বিস্তৃত সংঘাতের ঝুঁকির মুখে পড়ে গেছে এবং ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এই অবস্থায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ।
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এখন ইরানের ওপর চলতে থাকা ক্রমবর্ধমান ও অনির্দিষ্টকালীন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। একই সঙ্গে তাঁরা এমন কিছু সম্ভাব্য ‘এক্সিট র্যাম্প’ বা ‘প্রস্থান পথ’ বা সমাধানের ইঙ্গিত দিচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে