ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার (২২) মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে বাঞ্ছারামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আফজাল হোসেন খান বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০০–১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে উপজেলা বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও বিএনপি নেতা সাইদুর রহমানকে।
গতকাল শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের মোল্লাবাড়ি এলাকায় বিএনপির মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালায় পুলিশ। এতে গুলিবিদ্ধ হন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি নয়ন মিয়া। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ৭টায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন আরও অন্তত ১০ জন।
তবে শনিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম জানান, মিছিলকারীরা পুলিশকে দেখে আরও উগ্র হয়ে পড়েন। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি চালায়। তবে নয়ন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছে সেটি খতিয়ে দেখছেন তারা।
এই বিষয়ে আজ রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘পুলিশের কাজে বাধা এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে কীভাবে নয়নের মৃত্যু হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার (২২) মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে বাঞ্ছারামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আফজাল হোসেন খান বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০০–১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে উপজেলা বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও বিএনপি নেতা সাইদুর রহমানকে।
গতকাল শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের মোল্লাবাড়ি এলাকায় বিএনপির মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালায় পুলিশ। এতে গুলিবিদ্ধ হন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি নয়ন মিয়া। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ৭টায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন আরও অন্তত ১০ জন।
তবে শনিবার সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম জানান, মিছিলকারীরা পুলিশকে দেখে আরও উগ্র হয়ে পড়েন। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি চালায়। তবে নয়ন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছে সেটি খতিয়ে দেখছেন তারা।
এই বিষয়ে আজ রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘পুলিশের কাজে বাধা এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে কীভাবে নয়নের মৃত্যু হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১১ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৪ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৬ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৪ মিনিট আগে