বরুন কান্তি সরকার, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

একাত্তরের ভয়াল স্মৃতি মনে করে এখনো আঁতকে ওঠেন বাসনা চক্রবর্তী (৬৮)। ৫০ বছর ধরে শরীর ও মনে বয়ে বেড়াচ্ছেন ক্ষত; কথা বলতে গিয়ে হয়ে পড়েন বাকরুদ্ধ। দুই ছেলে আর এক মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে সুধারঞ্জন চক্রবর্তী মুক্তিযুদ্ধের সময় এক বছর বয়সে মারা যান। বলছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুলিকুণ্ডা গ্রামের গোপাল চক্রবর্তীর স্ত্রী বাসনা চক্রবর্তীর কথা।
জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধে উপজেলার কুলিকুণ্ডা গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের গোলাগুলি হয়। এ সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পানি দিতে গিয়ে ডান চোখে ও ডান হাঁটুর নিচে গুলিবিদ্ধ হন বাসনা।
স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও বাসনার পরিবার চরম অবহেলা ও অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছে। একসময় বাসনাদের প্রচুর সম্পত্তি থাকলেও চিকিৎসার খরচ চালাতে সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। এখন ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নেই। আর্থিক অনটনে বাসনার পরিবার ছেলেমেয়েদেরও প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাসনার এ ঘটনা জানতে পেরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৬ এপ্রিল কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁদের পরিবারকে একটি পত্র দেন। পাশাপাশি ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বাসনার পরিবারকে ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। তাঁদের কাছে বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা চিঠিটিও সংরক্ষিত রয়েছে।
বাসনার স্বামী গোপাল চক্রবর্তী বলেন, `বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা পত্র নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েও কারও কাছ থেকে কোনো সাহায্য-সহযোগিতা পাইনি। সবশেষে কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর আর্থিক সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছি।'
বাসনা চক্রবর্তী বলেন, `আমরা চরম আর্থিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরও সরকারের কাছ থেকে কোনো রকম স্বীকৃতি বা সহায়তা পাইনি।'
প্রতিবেশী রতন সরকার বলেন, তাঁদের পরিবার বিভিন্ন পূজাপার্বণে যজমানি করে যে অর্থ পায়, তা দিয়েই সংসার চলে।
নাসিরনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম বলেন, ছোটবেলায় মুক্তিযুদ্ধে বাসনা গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে আমি নিজেই তাঁদের বাড়িতে গিয়েছি। তিনি চোখে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। তবে তাঁরা কোনো সহায়তার জন্য আমার কাছে আসেনি।
বাসনার বড় ছেলে পরিমল চক্রবর্তী জানান, স্বাধীনতার পর এতগুলো বছর কেটে গেলেও মা বাসনা চক্রবর্তীর কোনো স্বীকৃতি মেলেনি। তবে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তারা তেমন কোনো যোগাযোগ করেননি। সম্প্রতি পরিবারের আর্থিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য বি. এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের কাছে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, `আমি তাঁদের বিষয়ে জানতে পেরেছি। তাঁদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।'

একাত্তরের ভয়াল স্মৃতি মনে করে এখনো আঁতকে ওঠেন বাসনা চক্রবর্তী (৬৮)। ৫০ বছর ধরে শরীর ও মনে বয়ে বেড়াচ্ছেন ক্ষত; কথা বলতে গিয়ে হয়ে পড়েন বাকরুদ্ধ। দুই ছেলে আর এক মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে সুধারঞ্জন চক্রবর্তী মুক্তিযুদ্ধের সময় এক বছর বয়সে মারা যান। বলছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুলিকুণ্ডা গ্রামের গোপাল চক্রবর্তীর স্ত্রী বাসনা চক্রবর্তীর কথা।
জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধে উপজেলার কুলিকুণ্ডা গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের গোলাগুলি হয়। এ সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পানি দিতে গিয়ে ডান চোখে ও ডান হাঁটুর নিচে গুলিবিদ্ধ হন বাসনা।
স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও বাসনার পরিবার চরম অবহেলা ও অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছে। একসময় বাসনাদের প্রচুর সম্পত্তি থাকলেও চিকিৎসার খরচ চালাতে সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। এখন ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নেই। আর্থিক অনটনে বাসনার পরিবার ছেলেমেয়েদেরও প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাসনার এ ঘটনা জানতে পেরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৬ এপ্রিল কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁদের পরিবারকে একটি পত্র দেন। পাশাপাশি ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বাসনার পরিবারকে ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। তাঁদের কাছে বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা চিঠিটিও সংরক্ষিত রয়েছে।
বাসনার স্বামী গোপাল চক্রবর্তী বলেন, `বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা পত্র নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েও কারও কাছ থেকে কোনো সাহায্য-সহযোগিতা পাইনি। সবশেষে কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর আর্থিক সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছি।'
বাসনা চক্রবর্তী বলেন, `আমরা চরম আর্থিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরও সরকারের কাছ থেকে কোনো রকম স্বীকৃতি বা সহায়তা পাইনি।'
প্রতিবেশী রতন সরকার বলেন, তাঁদের পরিবার বিভিন্ন পূজাপার্বণে যজমানি করে যে অর্থ পায়, তা দিয়েই সংসার চলে।
নাসিরনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম বলেন, ছোটবেলায় মুক্তিযুদ্ধে বাসনা গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে আমি নিজেই তাঁদের বাড়িতে গিয়েছি। তিনি চোখে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। তবে তাঁরা কোনো সহায়তার জন্য আমার কাছে আসেনি।
বাসনার বড় ছেলে পরিমল চক্রবর্তী জানান, স্বাধীনতার পর এতগুলো বছর কেটে গেলেও মা বাসনা চক্রবর্তীর কোনো স্বীকৃতি মেলেনি। তবে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তারা তেমন কোনো যোগাযোগ করেননি। সম্প্রতি পরিবারের আর্থিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য বি. এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের কাছে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, `আমি তাঁদের বিষয়ে জানতে পেরেছি। তাঁদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।'

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১০ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১২ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
১৫ মিনিট আগে