নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিয়েবাড়ির গেট বানানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দৌলতপুর ও সীতারামপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আশরাফি জানান, গত সোমবার (১৫ আগস্ট) সীতারামপুর গ্রামের রিয়াজুদ্দিন গোষ্ঠীর রাজুর বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছিল। সেখান ডেকোরেশনের লোকজন কাজ করছিলেন। দৌলতপুর গ্রামের হাসান আলী বাড়ির এক ছেলেও সেখানে কাজ করছিলেন। ডেকোরেশনের গেটের কাজ বিয়ে বাড়ির লোকজনের পছন্দ হয়নি। এ নিয়ে ডেকোরেশনের কাজ করা দৌলতপুরের ওই ছেলেটির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।
চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ বিষয়টি মীমাংসা করতে গতকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের এক জায়গায় উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হয়। সেখানে আমিও ছিলাম। সন্ধ্যার পর খবর আসে বিয়ে বাড়ির গেটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দৌলতপুর ও সীতারামপুর গ্রামের দুই যুবক মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে দুই গ্রামবাসী মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেধে যায়। অনেকে এতে আহত হয়েছেন। অনেক দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকায় যায়। দুই গ্রামের বাসিন্দাদের নিবৃত্ত করতে সেখানে অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’
এদিকে ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোশাররফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর ও পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল আহমেদ ওই এলাকায় পরিদর্শন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিয়েবাড়ির গেট বানানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দৌলতপুর ও সীতারামপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আশরাফি জানান, গত সোমবার (১৫ আগস্ট) সীতারামপুর গ্রামের রিয়াজুদ্দিন গোষ্ঠীর রাজুর বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছিল। সেখান ডেকোরেশনের লোকজন কাজ করছিলেন। দৌলতপুর গ্রামের হাসান আলী বাড়ির এক ছেলেও সেখানে কাজ করছিলেন। ডেকোরেশনের গেটের কাজ বিয়ে বাড়ির লোকজনের পছন্দ হয়নি। এ নিয়ে ডেকোরেশনের কাজ করা দৌলতপুরের ওই ছেলেটির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।
চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ বিষয়টি মীমাংসা করতে গতকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের এক জায়গায় উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হয়। সেখানে আমিও ছিলাম। সন্ধ্যার পর খবর আসে বিয়ে বাড়ির গেটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দৌলতপুর ও সীতারামপুর গ্রামের দুই যুবক মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে দুই গ্রামবাসী মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেধে যায়। অনেকে এতে আহত হয়েছেন। অনেক দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকায় যায়। দুই গ্রামের বাসিন্দাদের নিবৃত্ত করতে সেখানে অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে।’
এদিকে ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোশাররফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর ও পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল আহমেদ ওই এলাকায় পরিদর্শন করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে