প্রতিনিধি, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে রক্তের জন্য সবার ভরসার নাম মানবসেবামূলক সংগঠন ‘রক্তিম মিনা’। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি উপজেলায় প্রতি মাসে গড়ে ২৩ জন ব্যক্তিকে রক্ত দিয়ে আসছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে নাসিরনগরে সরকারি বা বেসরকারি কোথাও ব্লাডব্যাংকের শাখা ছিল না। এ জন্য ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই সংগঠনটির পথচলা শুরু করা হয়। ফলশ্রুতিতে সংগঠনটি শুরু থেকেই সবার কাছে পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা রুবেল মল্লিক নাসিরনগর উপজেলার একজন তরুণ উদ্যোক্তা।
রক্তিম মিনার প্রতিষ্ঠাতা রুবেল মল্লিকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক আজকের পত্রিকাকে জানান, ২০১৪ সালের জুন মাসে হঠাৎ করে মায়ের ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ায় নানান প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ১৮ দিন চিকিৎসা করানো হয়। পুরা চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় মোট ২৪ ব্যাগ রক্ত লেগেছিল যা বন্ধু বান্ধব শুভাকাঙ্ক্ষীরা দিয়েছে। এই ব্যাপারটা খুব আবেগ আপ্লুত করেছে। তাই আমি চিন্তা করেছি যে, আমাকে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমাকে রক্ত নিয়ে অবশ্যই কাজ করতে হবে। সেই থেকে রক্ত নিয়ে কাজ করা।
নাসিরনগর সদরের রাজীব দাশ অষ্টমবারের মতো বিভিন্ন ব্যক্তিকে রক্তদান করেছেন। তিনি বলেন, ‘রক্তিম মিনা’ যখনই আমাকে ডেকেছে তখনই স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে গিয়েছি। শুধু তাই নয়, এই ‘রক্তিম মিনা’র জন্যই উপজেলার তরুণ যুবকরা রক্তদানে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসছে।
নাসিরনগর উপজেলার অর্পনা দাশ (৩০) বলেন, আমার প্রেগনেন্সি সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় ৭ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। এই সময় ‘রক্তিম মিনা’ আমার রক্তের ব্যবস্থা না করলে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যেত।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সংগঠনটি শুধু রক্তদান কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় রক্তদানে উৎসাহিত করার জন্য সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে দিচ্ছে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা চিন্তা করে বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় বলেন, সংগঠনটি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমিও তাদের বিভিন্ন ভূমিকার কথা জানতে পেরেছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে রক্তের জন্য সবার ভরসার নাম মানবসেবামূলক সংগঠন ‘রক্তিম মিনা’। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি উপজেলায় প্রতি মাসে গড়ে ২৩ জন ব্যক্তিকে রক্ত দিয়ে আসছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে নাসিরনগরে সরকারি বা বেসরকারি কোথাও ব্লাডব্যাংকের শাখা ছিল না। এ জন্য ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই সংগঠনটির পথচলা শুরু করা হয়। ফলশ্রুতিতে সংগঠনটি শুরু থেকেই সবার কাছে পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা রুবেল মল্লিক নাসিরনগর উপজেলার একজন তরুণ উদ্যোক্তা।
রক্তিম মিনার প্রতিষ্ঠাতা রুবেল মল্লিকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক আজকের পত্রিকাকে জানান, ২০১৪ সালের জুন মাসে হঠাৎ করে মায়ের ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ায় নানান প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ১৮ দিন চিকিৎসা করানো হয়। পুরা চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় মোট ২৪ ব্যাগ রক্ত লেগেছিল যা বন্ধু বান্ধব শুভাকাঙ্ক্ষীরা দিয়েছে। এই ব্যাপারটা খুব আবেগ আপ্লুত করেছে। তাই আমি চিন্তা করেছি যে, আমাকে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমাকে রক্ত নিয়ে অবশ্যই কাজ করতে হবে। সেই থেকে রক্ত নিয়ে কাজ করা।
নাসিরনগর সদরের রাজীব দাশ অষ্টমবারের মতো বিভিন্ন ব্যক্তিকে রক্তদান করেছেন। তিনি বলেন, ‘রক্তিম মিনা’ যখনই আমাকে ডেকেছে তখনই স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে গিয়েছি। শুধু তাই নয়, এই ‘রক্তিম মিনা’র জন্যই উপজেলার তরুণ যুবকরা রক্তদানে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসছে।
নাসিরনগর উপজেলার অর্পনা দাশ (৩০) বলেন, আমার প্রেগনেন্সি সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় ৭ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। এই সময় ‘রক্তিম মিনা’ আমার রক্তের ব্যবস্থা না করলে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যেত।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সংগঠনটি শুধু রক্তদান কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় রক্তদানে উৎসাহিত করার জন্য সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে দিচ্ছে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা চিন্তা করে বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় বলেন, সংগঠনটি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমিও তাদের বিভিন্ন ভূমিকার কথা জানতে পেরেছি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে