নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

আগামী ১১ই নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অপরাধে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদেরকে গত এক সপ্তাহে ১২৮টি মামলায় প্রায় চার লাখ ৬১ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজকুমার বিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আচরণ বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি ৩১ (১) অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এ সময় নির্বাচনী আচরণবিধি না মেনে রঙিন পোস্টার, একাধিক মাইক, দেয়ালে পোস্টার ও আঠা যুক্ত স্টিকার ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে জরিমানা করা হয়। গত এক সপ্তাহে ৭৬টি মামলায় ৭৬ জন ব্যক্তিকে চার লাখ চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদি হাসান খান শাওন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ধারা ৬৬,৭২ এবং ৯২ (১) অনুযায়ী ৫২টি মামলায় ৫২ জন ব্যক্তিকে মোট ৫৭ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, আইন লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুন বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীসহ ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানাও করছেন। এই অভিযান নির্বাচনের শেষ সময় পর্যন্ত চলমান থাকবে।’
উল্লেখ্য, এবার নির্বাচনে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১১৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৯৬ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৬৫ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।

আগামী ১১ই নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অপরাধে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদেরকে গত এক সপ্তাহে ১২৮টি মামলায় প্রায় চার লাখ ৬১ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজকুমার বিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আচরণ বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি ৩১ (১) অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এ সময় নির্বাচনী আচরণবিধি না মেনে রঙিন পোস্টার, একাধিক মাইক, দেয়ালে পোস্টার ও আঠা যুক্ত স্টিকার ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে জরিমানা করা হয়। গত এক সপ্তাহে ৭৬টি মামলায় ৭৬ জন ব্যক্তিকে চার লাখ চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদি হাসান খান শাওন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ধারা ৬৬,৭২ এবং ৯২ (১) অনুযায়ী ৫২টি মামলায় ৫২ জন ব্যক্তিকে মোট ৫৭ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, আইন লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুন বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীসহ ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানাও করছেন। এই অভিযান নির্বাচনের শেষ সময় পর্যন্ত চলমান থাকবে।’
উল্লেখ্য, এবার নির্বাচনে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১১৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৯৬ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৬৫ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে