ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে সরকার পতনের কোনো শঙ্কা নেই বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কোটা নিয়ে আমাদের (সরকারের) ভুল থাকতে পারে। তবে জ্ঞানত কোনো অন্যায় করিনি। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আন্দোলনটা কোটায় নেই। সেটা কোন দিকে গেছে সবাই দেখেছে।’
আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমি আছি। মানুষে মানুষে বৈষম্য আমি চাই না। ইংরেজিতে আন্দোলনের ভাষা কেন? টোটাল শাটডাউন, কমপ্লিট শাটডাউন নামে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তার মানে বুঝতে হবে, বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এটা করা হচ্ছে। এতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রয়েছে।’
র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘যারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত তারাই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। মির্জা ফখরুল, রিজভীরা দিনে তিনবার করে সরকারের পতন ঘটায়। তারা ২০১৪ সাল থেকে সে কথাই বলে আসছে। আমরা বেশ মজবুত ভাবেই আছি।’
ছাত্র আন্দোলনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকে নষ্ট করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায়ের পরে কোটা আন্দোলনের আর কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। সরকারও কোটা বাতিলের বিষয়ে আন্তরিক ছিল। কিন্তু ছাত্ররা ভুল বুঝে বিভ্রান্ত হয়েছে।’ এ সময় চলমান অস্থিরতায় প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের কথাও জানান তিনি।
গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরায়েলবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে এত আন্দোলন হলেও তা পশ্চিমা দুনিয়ায় সাড়া ফেলতে পারেনি। কারণ, ইসরায়েলের হাত অনেক লম্বা।’
এ সময় পৌর মেয়র নায়ার কবীর, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, সহসভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারি চৌধুরী মন্টু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহদাৎ হোসেন শোভন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে সরকার পতনের কোনো শঙ্কা নেই বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কোটা নিয়ে আমাদের (সরকারের) ভুল থাকতে পারে। তবে জ্ঞানত কোনো অন্যায় করিনি। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আন্দোলনটা কোটায় নেই। সেটা কোন দিকে গেছে সবাই দেখেছে।’
আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমি আছি। মানুষে মানুষে বৈষম্য আমি চাই না। ইংরেজিতে আন্দোলনের ভাষা কেন? টোটাল শাটডাউন, কমপ্লিট শাটডাউন নামে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তার মানে বুঝতে হবে, বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এটা করা হচ্ছে। এতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রয়েছে।’
র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘যারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত তারাই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। মির্জা ফখরুল, রিজভীরা দিনে তিনবার করে সরকারের পতন ঘটায়। তারা ২০১৪ সাল থেকে সে কথাই বলে আসছে। আমরা বেশ মজবুত ভাবেই আছি।’
ছাত্র আন্দোলনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকে নষ্ট করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায়ের পরে কোটা আন্দোলনের আর কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। সরকারও কোটা বাতিলের বিষয়ে আন্তরিক ছিল। কিন্তু ছাত্ররা ভুল বুঝে বিভ্রান্ত হয়েছে।’ এ সময় চলমান অস্থিরতায় প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের কথাও জানান তিনি।
গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরায়েলবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে এত আন্দোলন হলেও তা পশ্চিমা দুনিয়ায় সাড়া ফেলতে পারেনি। কারণ, ইসরায়েলের হাত অনেক লম্বা।’
এ সময় পৌর মেয়র নায়ার কবীর, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, সহসভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারি চৌধুরী মন্টু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহদাৎ হোসেন শোভন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে