প্রতিনিধি, শাজাহানপুর (বগুড়া)

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়সহ বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক এবং বগুড়া–ঢাকা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো আওয়ামী লীগের পোস্টারে ছেয়ে গেছে। দলটির ৭৬ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে গতকাল রোববার গভীর রাতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসব পোস্টার লাগায়। এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করে ফেসবুকে পোস্ট দেয় দলটির নেতা কর্মীরা। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে থাকলেও এসব দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের পোস্টার লাগানোয় ক্ষুব্ধ হয়েছেন উপজেলা বিএনপি নেতারা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বিদ্যুৎ আজকের পত্রিকাকে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমাদের দলীয় কার্যালয়ে রাতের আঁধারে পোস্টার লাগিয়ে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। জানতে পেরে আমরা সেই পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছি। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে থানা পুলিশকে বলা হয়েছে।
এদিকে গতকাল রোববার (২২ জুন) দিবাগত রাত একটার দিকে গ্রেপ্তার হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মোল্লা আহমেদ আরিফ আজাদ পলাশ। চোপিনগর ইউনিয়নের চোপিনগর দক্ষিনপাড়া গ্রামে এক আত্নীয় বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। যুবদল নেতা ফোরকান হত্যা মামলার এজাহার নামিয় আসামি ছিলেন তিনি। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আরিফ আজাদ পলাশ চোপিনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন।
শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, চোপিনগর দক্ষিনপাড়া গ্রামে এক আত্নীয় বাড়ি থেকে রাত একটার দিকে আরিফ আজাদ পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের পোস্টারের ব্যাপারে ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে পোস্টার লাগানোর সংবাদ শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোন পোস্টার পাই নাই। দলীয় নেতাকর্মীরা আগেই সেগুলো তুলে ফেলেছে।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়সহ বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক এবং বগুড়া–ঢাকা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো আওয়ামী লীগের পোস্টারে ছেয়ে গেছে। দলটির ৭৬ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে গতকাল রোববার গভীর রাতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসব পোস্টার লাগায়। এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করে ফেসবুকে পোস্ট দেয় দলটির নেতা কর্মীরা। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে থাকলেও এসব দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের পোস্টার লাগানোয় ক্ষুব্ধ হয়েছেন উপজেলা বিএনপি নেতারা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বিদ্যুৎ আজকের পত্রিকাকে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমাদের দলীয় কার্যালয়ে রাতের আঁধারে পোস্টার লাগিয়ে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। জানতে পেরে আমরা সেই পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছি। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে থানা পুলিশকে বলা হয়েছে।
এদিকে গতকাল রোববার (২২ জুন) দিবাগত রাত একটার দিকে গ্রেপ্তার হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মোল্লা আহমেদ আরিফ আজাদ পলাশ। চোপিনগর ইউনিয়নের চোপিনগর দক্ষিনপাড়া গ্রামে এক আত্নীয় বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। যুবদল নেতা ফোরকান হত্যা মামলার এজাহার নামিয় আসামি ছিলেন তিনি। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আরিফ আজাদ পলাশ চোপিনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন।
শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, চোপিনগর দক্ষিনপাড়া গ্রামে এক আত্নীয় বাড়ি থেকে রাত একটার দিকে আরিফ আজাদ পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের পোস্টারের ব্যাপারে ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে পোস্টার লাগানোর সংবাদ শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোন পোস্টার পাই নাই। দলীয় নেতাকর্মীরা আগেই সেগুলো তুলে ফেলেছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে