শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুরে একটি মাদ্রাসার বাথরুমের এক ছাত্র অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ওই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ বলছে, ওই মাদ্রাসাছাত্রের গলায় দাগ রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে শেরপুর শহরের অদূরে একটি ভাড়া ভবনে পরিচালিত তাহসীনুল কোরআন আদর্শ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ওই মাদ্রাসাছাত্রের নাম—কাউসার ইসলাম (৮)। সে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বেলতা গ্রামের কৃষক ফরিদুল ইসলামের ছেলে।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, তাহসীনুল কোরআন আদর্শ হাফিজিয়া মাদ্রাসার নূরানী কায়দায় প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল কাউসার। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টায় এই হাফিজিয়া মাদ্রাসার বাথরুমে কাউসার ইসলামকে সচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মাদ্রাসার আরেক ছাত্র ফজলুল করিম (১৫)। এ ঘটনা মাদ্রাসার শিক্ষকদের জানানো হলে তাকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। নেওয়ার পর চিকিৎসক কাউসার ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই মাদ্রাসার শিক্ষক মামুনুর রশিদ জানান, শিশু কাউসারকে যখন বাথরুমে পাওয়া যায়, তখন ছিল সকালের নাশতার বিরতি চলছিল। মৃত্যুর সঠিক কারণ তারাও জানেন না।
এ ঘটনায় শেরপুর থানার উপপরিদর্শক মিথুন সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাউসারকে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছে। কাউসারের গলায় দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে শিশুর পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করা হবে।’
এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবু কুমার সাহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুই শিশু দড়ি নিয়ে খেলছিল। খেলার সময় অসাবধানতাবশত কাউসারের মৃত্যু হয়। তদন্তের স্বার্থে এখনই অপর শিশুটির নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এই বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

বগুড়ার শেরপুরে একটি মাদ্রাসার বাথরুমের এক ছাত্র অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ওই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ বলছে, ওই মাদ্রাসাছাত্রের গলায় দাগ রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে শেরপুর শহরের অদূরে একটি ভাড়া ভবনে পরিচালিত তাহসীনুল কোরআন আদর্শ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ওই মাদ্রাসাছাত্রের নাম—কাউসার ইসলাম (৮)। সে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বেলতা গ্রামের কৃষক ফরিদুল ইসলামের ছেলে।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, তাহসীনুল কোরআন আদর্শ হাফিজিয়া মাদ্রাসার নূরানী কায়দায় প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল কাউসার। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টায় এই হাফিজিয়া মাদ্রাসার বাথরুমে কাউসার ইসলামকে সচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মাদ্রাসার আরেক ছাত্র ফজলুল করিম (১৫)। এ ঘটনা মাদ্রাসার শিক্ষকদের জানানো হলে তাকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। নেওয়ার পর চিকিৎসক কাউসার ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই মাদ্রাসার শিক্ষক মামুনুর রশিদ জানান, শিশু কাউসারকে যখন বাথরুমে পাওয়া যায়, তখন ছিল সকালের নাশতার বিরতি চলছিল। মৃত্যুর সঠিক কারণ তারাও জানেন না।
এ ঘটনায় শেরপুর থানার উপপরিদর্শক মিথুন সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাউসারকে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছে। কাউসারের গলায় দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে শিশুর পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করা হবে।’
এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবু কুমার সাহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুই শিশু দড়ি নিয়ে খেলছিল। খেলার সময় অসাবধানতাবশত কাউসারের মৃত্যু হয়। তদন্তের স্বার্থে এখনই অপর শিশুটির নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এই বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে