সান্তাহার হাসপাতাল
সাগর খান, আদমদীঘি (বগুড়া)

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে প্রতিনিয়ত ওষুধ ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, পৌরসভায় অবস্থিত এই হাসপাতালের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও দীর্ঘ ২০ বছরে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। কাগজ-কলমে জনবল দেখানো হলেও বাস্তবে নেই কোনো ডাক্তার বা নার্স। একজন ফার্মাসিস্ট দিয়ে এখানে বহির্বিভাগের (আউটডোর) চিকিৎসাসেবার কাজ চলছে।
এ দিকে স্থানীয়রা বলছেন, হাসপাতালে দায়িত্বরত ফার্মাসিস্ট আব্দুল মান্নানের যোগসাজশে প্রতিনিয়ত হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ ও মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। চুরি হচ্ছে সরকারি ওষুধ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, এসি, ফ্যান, জানালার গ্রিল, থাই গ্লাসসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। সম্প্রতি তিনটি ভ্যানে জানালার গ্রিল, থাই গ্লাস চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ওয়াহেদুল ইসলাম ওয়াহেদ একটি ভ্যানে থাকা হাসপাতাল থেকে খুলে নেওয়া জানালার গ্রিলসহ ভ্যানটি উদ্ধার করে। আর অপর দুইটি ভ্যান দ্রুত মালপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। এই অবস্থায় স্থানীয় লোকজন আব্দুল মান্নানের অপসারণ দাবি করছে।
সান্তাহার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ওয়াহেদুল ইসলাম ওয়াহেদ বলেন, হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন মান্নানের নেতৃত্বে কোনো না কোনো জিনিসপত্র চুরির ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, চুরির বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি।
রথবাড়ী এলাকার বাসিন্দা রনি হোসেন বলেন, ‘চুরি করে মান্নান আর নাম দেয় আটুলের। আটুল তো দীর্ঘদিন জেলখানায়, তাহলে এখন কে চুরি করছে? আমি মান্নানের অপসারণ দাবি করছি।’ একই এলাকার আশিক হোসেন বলেন, ‘আব্দুল মান্নানকে অপসারণ করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।’
বি পি স্কুল এলাকার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান তুফান বলেন, ‘এই মান্নান শুধু হাসপাতালের জিনিসপত্রের চোরের হোতা নন, পাশাপাশি সরকারি ওষুধও চুরি করে বিক্রি করেন।’
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা পৌর শহরের যোগীপুকুর এলাকায় বাসিন্দা জাকিরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘চিকিৎসা বলতে হাসপাতালে যা দিচ্ছে, জ্বর আর গ্যাসের ওষুধ। বাকি ওষুধ মান্নান সাহেব বিক্রি করে খান।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোগীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এবং চারিত্রিক সমস্যাও আছে।’
সান্তাহার পৌর বিএনপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী শেখ বলেন, ‘এই মান্নান একজন পাকা বদমাইশ ও চোর। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
চুরির বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত ফার্মাসিস্ট আব্দুল মান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক আগে আটুল নামের এক চোর এসিসহ কিছু জিনিসপত্র চুরির করার কারণে অন্য এসি খুলে রাখা হয়েছে। তবে সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে ফ্যান, জানালার গ্রিল, থাই গ্লাস চুরির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না, আর সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী বলেন, ‘সান্তাহার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে মালপত্র চুরির বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে চুরির বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরও খবর পড়ুন:

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে প্রতিনিয়ত ওষুধ ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, পৌরসভায় অবস্থিত এই হাসপাতালের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও দীর্ঘ ২০ বছরে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। কাগজ-কলমে জনবল দেখানো হলেও বাস্তবে নেই কোনো ডাক্তার বা নার্স। একজন ফার্মাসিস্ট দিয়ে এখানে বহির্বিভাগের (আউটডোর) চিকিৎসাসেবার কাজ চলছে।
এ দিকে স্থানীয়রা বলছেন, হাসপাতালে দায়িত্বরত ফার্মাসিস্ট আব্দুল মান্নানের যোগসাজশে প্রতিনিয়ত হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ ও মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। চুরি হচ্ছে সরকারি ওষুধ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, এসি, ফ্যান, জানালার গ্রিল, থাই গ্লাসসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। সম্প্রতি তিনটি ভ্যানে জানালার গ্রিল, থাই গ্লাস চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ওয়াহেদুল ইসলাম ওয়াহেদ একটি ভ্যানে থাকা হাসপাতাল থেকে খুলে নেওয়া জানালার গ্রিলসহ ভ্যানটি উদ্ধার করে। আর অপর দুইটি ভ্যান দ্রুত মালপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। এই অবস্থায় স্থানীয় লোকজন আব্দুল মান্নানের অপসারণ দাবি করছে।
সান্তাহার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ওয়াহেদুল ইসলাম ওয়াহেদ বলেন, হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন মান্নানের নেতৃত্বে কোনো না কোনো জিনিসপত্র চুরির ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, চুরির বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি।
রথবাড়ী এলাকার বাসিন্দা রনি হোসেন বলেন, ‘চুরি করে মান্নান আর নাম দেয় আটুলের। আটুল তো দীর্ঘদিন জেলখানায়, তাহলে এখন কে চুরি করছে? আমি মান্নানের অপসারণ দাবি করছি।’ একই এলাকার আশিক হোসেন বলেন, ‘আব্দুল মান্নানকে অপসারণ করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।’
বি পি স্কুল এলাকার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান তুফান বলেন, ‘এই মান্নান শুধু হাসপাতালের জিনিসপত্রের চোরের হোতা নন, পাশাপাশি সরকারি ওষুধও চুরি করে বিক্রি করেন।’
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা পৌর শহরের যোগীপুকুর এলাকায় বাসিন্দা জাকিরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘চিকিৎসা বলতে হাসপাতালে যা দিচ্ছে, জ্বর আর গ্যাসের ওষুধ। বাকি ওষুধ মান্নান সাহেব বিক্রি করে খান।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোগীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এবং চারিত্রিক সমস্যাও আছে।’
সান্তাহার পৌর বিএনপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী শেখ বলেন, ‘এই মান্নান একজন পাকা বদমাইশ ও চোর। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
চুরির বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত ফার্মাসিস্ট আব্দুল মান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক আগে আটুল নামের এক চোর এসিসহ কিছু জিনিসপত্র চুরির করার কারণে অন্য এসি খুলে রাখা হয়েছে। তবে সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে ফ্যান, জানালার গ্রিল, থাই গ্লাস চুরির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না, আর সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী বলেন, ‘সান্তাহার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে মালপত্র চুরির বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে চুরির বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরও খবর পড়ুন:

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৫ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৭ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪২ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
৪৩ মিনিট আগে