প্রতিনিধি, ধুনট (বগুড়া)

ভোরবেলায় জীবিকার সন্ধানে ছোটেন দিনমজুর স্বামী। সারা দিন শ্রম বেচে ফেরেন সন্ধ্যায়। এদিকে স্বামীকে বিদায় দিয়ে গৃহস্থালির কাজ শেষ করতেই বেজে যায় সকাল ১০টা। এ সময় হাতে তেমন কাজও থাকে না। তাই নারীরা ছোটেন বাড়তি আয়ের আশায় যমুনার দিকে। সঙ্গে একটি পাতিল। উদ্দেশ্য মাছ ধরা হলেও বড়শি বা জালের মতো তেমন কিছু নেই। হ্যাঁ এই যমুনায় মাছ শিকারে এই নারীদের ভরসা দুই হাতের ওপরই।
সকালে বিভিন্ন বাড়ি থেকে পাতিল হাতে নদীর কূলে একত্রিত হন নারীরা। দল বেঁধে মাছ ধরতে নামেন যমুনার জলে। হাত দিয়ে শিকার করেন নানা প্রজাতির মাছ। যমুনা চরের নারীদের নিত্যদিনের চিত্র এটা। এভাবে মাছ ধরেই তাঁরা অভাব অনটনের সংসারে বাড়তি আয়ের চেষ্টা করেন।
বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর চর এলাকায় সরেজমিনে মাছ শিকারি নারীদের সঙ্গে কথা হয়। নিজেদের এই চেষ্টার কথা জানান বৈশাখী চরের কুলসুম বেওয়া, জেলাতন খাতুন, মালেকা বেওয়ার সঙ্গে। তাঁরা বলেন, এক সময় তাঁদের সবকিছু ছিল। প্রতি বছরের ভাঙনে যমুনা নদী সবকিছু গিলে খেয়েছে। আজ তাঁরা আজ নিঃস্ব। জমির মালিকেরা আজ কুলি-শ্রমিকে পরিণত হয়েছেন। অভাবের কারণে ছোট হয়ে এসেছে ঘর-সংসার। আগের মতো আর হাসি-খুশিতে দিন কাটে না। দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য কাজের সন্ধাতে ঘুরতে হয়। অভাবের সংসারে কাজও নেই। তাই অন্যের বাড়ি কিংবা জমিতে কাজ করতে হয়। সম্প্রতি যমুনার পানি বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত চর এলাকায় এখন কোনো কাজ নেই। পুরুষেরা শহর কিংবা অন্য গ্রামে কাজ করতে যান। কিন্তু চরের নারীদের পক্ষে কাজের সন্ধানে বাইরে যাওয়া হয় না। তাই গৃহস্থালি কাজের ফাঁকে যমুনায় মাছ ধরে বাড়তি আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর কুলে অল্প পানিতে হাঁটু গেড়ে বসেছে এক দল নারী। সবার সামনে একটি করে পাতিল ভাসছে। পানির নিচে হাতিয়ে হাতিয়ে এগিয়ে চলেছেন তাঁরা সামনের দিকে। এভাবেই হাতের নিচে ধরা পড়ছে বালিয়া, টাকি, পুটি, ট্যাংরা, শিং, চিংড়ি, ঘাড়িয়াসহ নানা প্রজাতির মাছ।
রাধানগর চরের মাছ শিকারি সোনাভান ও খাদিজা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাতিয়ে একজন নারী কমপক্ষে দেড় থেকে দুই কেজি করে মাছ ধরেন। এই মাছ নিজেদের খাবার চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করেন তাঁরা। এতে প্রতিদিন অন্তত গড়ে ২৫০-৩০০ টাকার মাছ বিক্রি করা যায়।

ভোরবেলায় জীবিকার সন্ধানে ছোটেন দিনমজুর স্বামী। সারা দিন শ্রম বেচে ফেরেন সন্ধ্যায়। এদিকে স্বামীকে বিদায় দিয়ে গৃহস্থালির কাজ শেষ করতেই বেজে যায় সকাল ১০টা। এ সময় হাতে তেমন কাজও থাকে না। তাই নারীরা ছোটেন বাড়তি আয়ের আশায় যমুনার দিকে। সঙ্গে একটি পাতিল। উদ্দেশ্য মাছ ধরা হলেও বড়শি বা জালের মতো তেমন কিছু নেই। হ্যাঁ এই যমুনায় মাছ শিকারে এই নারীদের ভরসা দুই হাতের ওপরই।
সকালে বিভিন্ন বাড়ি থেকে পাতিল হাতে নদীর কূলে একত্রিত হন নারীরা। দল বেঁধে মাছ ধরতে নামেন যমুনার জলে। হাত দিয়ে শিকার করেন নানা প্রজাতির মাছ। যমুনা চরের নারীদের নিত্যদিনের চিত্র এটা। এভাবে মাছ ধরেই তাঁরা অভাব অনটনের সংসারে বাড়তি আয়ের চেষ্টা করেন।
বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর চর এলাকায় সরেজমিনে মাছ শিকারি নারীদের সঙ্গে কথা হয়। নিজেদের এই চেষ্টার কথা জানান বৈশাখী চরের কুলসুম বেওয়া, জেলাতন খাতুন, মালেকা বেওয়ার সঙ্গে। তাঁরা বলেন, এক সময় তাঁদের সবকিছু ছিল। প্রতি বছরের ভাঙনে যমুনা নদী সবকিছু গিলে খেয়েছে। আজ তাঁরা আজ নিঃস্ব। জমির মালিকেরা আজ কুলি-শ্রমিকে পরিণত হয়েছেন। অভাবের কারণে ছোট হয়ে এসেছে ঘর-সংসার। আগের মতো আর হাসি-খুশিতে দিন কাটে না। দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য কাজের সন্ধাতে ঘুরতে হয়। অভাবের সংসারে কাজও নেই। তাই অন্যের বাড়ি কিংবা জমিতে কাজ করতে হয়। সম্প্রতি যমুনার পানি বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত চর এলাকায় এখন কোনো কাজ নেই। পুরুষেরা শহর কিংবা অন্য গ্রামে কাজ করতে যান। কিন্তু চরের নারীদের পক্ষে কাজের সন্ধানে বাইরে যাওয়া হয় না। তাই গৃহস্থালি কাজের ফাঁকে যমুনায় মাছ ধরে বাড়তি আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর কুলে অল্প পানিতে হাঁটু গেড়ে বসেছে এক দল নারী। সবার সামনে একটি করে পাতিল ভাসছে। পানির নিচে হাতিয়ে হাতিয়ে এগিয়ে চলেছেন তাঁরা সামনের দিকে। এভাবেই হাতের নিচে ধরা পড়ছে বালিয়া, টাকি, পুটি, ট্যাংরা, শিং, চিংড়ি, ঘাড়িয়াসহ নানা প্রজাতির মাছ।
রাধানগর চরের মাছ শিকারি সোনাভান ও খাদিজা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাতিয়ে একজন নারী কমপক্ষে দেড় থেকে দুই কেজি করে মাছ ধরেন। এই মাছ নিজেদের খাবার চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করেন তাঁরা। এতে প্রতিদিন অন্তত গড়ে ২৫০-৩০০ টাকার মাছ বিক্রি করা যায়।

ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিতে নিয়োগ পেয়েছেন। আজ বুধবার বিজিবির ১০৪ তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনীতে শপথ নেন তিনি।
৩ মিনিট আগে
পিরোজপুরে ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি নিয়ে জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন মো. আতিকুর রহমান খান হৃদয় নামের এক নেতা। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে তিনি ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি নেন এবং বিএনপির সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সকালে কারখানা দুটির কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ শুরু করেন। এ সময় বিভিন্ন তলায় কর্মরত শ্রমিকেরা অসুস্থ হতে থাকেন। পরে শতাধিক শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বেরোবি শাখার সভাপতি মো. সুমন সরকার।
১ ঘণ্টা আগে