
বগুড়ার শিবগঞ্জে একাধিক মামলার আসামি ও আওয়ামী লীগ নেতা রেজ্জাকুল ইসলাম রাজুকে পুলিশের হাত থেকে হাতকড়াসহ (হ্যান্ডকাফ) ছিনিয়ে নিয়েছে এলাকাবাসী। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার চক ভোলাখাঁ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আসামি রেজ্জাকুল ইসলাম রাজু শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগসহ তাঁর বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে।
শিবগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে রাজু পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চক ভোলাখাঁ গ্রামে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়।
পুলিশ রাজুকে আটক করে হ্যান্ডকাফ পরানোর সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় নারী-পুরুষ পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করে। একপর্যায়ে তারা জোর করে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় রাজুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক আসামি রেজ্জাকুল ইসলাম রাজুকে পুনরায় গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে