শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুরে পাতা শুকানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত আটজনকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের চকমুকুন্দ গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা আহতরা হলেন মির আহমেদ (১৮), সাইফুল ইসলাম (৫০), নায়েব আলী (৬০), জিয়া হাসান (৩১), অমেলা বেগম (৪৫), আবদুল মসজিদ (৪২), বেগম আকতার (৪৫) ও শাহালম ইসলাম (৩৬)। তাঁরা সবাই উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের চকমুকুন্দ গ্রামের বাসিন্দা। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে আহত জিয়া হাসানের মা অমেলা বেগম প্রতিবেশী আসাদুলের জায়গার ওপর দিয়ে নিজের জায়গায় গাছের পাতা শুকাতে যান। এ সময় আসাদুল তাকে গালিগালাজ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইফতারের পর দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহত নায়েব আলীর স্ত্রী কমলা বেগম (৪৫) বলেন, ‘সন্ধ্যার সময় আসাদুলের নেতৃত্বে তার পরিবারের লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে হামলা করে। আমার স্বামী তাকে অনেক অনুরোধ করে। কিন্তু তারা তাকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তার হাতে আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এ সময় সঙ্গে বহিরাগত কিছু লোকও ছিল।’
তবে হামলার কথা অস্বীকার করেছেন আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জিয়ার নেতৃত্বে ২০-২৫ জন আমাদের বাসায় হামলা করেছে। এতে আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও ১১ বছর বয়সী মেয়ে আহত হয়েছে। প্রতিপক্ষ আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে। ১০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে। তাদের সঙ্গে আমাদের আগে থেকেই জায়গা নিয়ে বিরোধ ছিল। তার জের ধরেই আজকে হামলা করেছে।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, ‘দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা জেনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বগুড়ার শেরপুরে পাতা শুকানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত আটজনকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের চকমুকুন্দ গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা আহতরা হলেন মির আহমেদ (১৮), সাইফুল ইসলাম (৫০), নায়েব আলী (৬০), জিয়া হাসান (৩১), অমেলা বেগম (৪৫), আবদুল মসজিদ (৪২), বেগম আকতার (৪৫) ও শাহালম ইসলাম (৩৬)। তাঁরা সবাই উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের চকমুকুন্দ গ্রামের বাসিন্দা। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে আহত জিয়া হাসানের মা অমেলা বেগম প্রতিবেশী আসাদুলের জায়গার ওপর দিয়ে নিজের জায়গায় গাছের পাতা শুকাতে যান। এ সময় আসাদুল তাকে গালিগালাজ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইফতারের পর দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহত নায়েব আলীর স্ত্রী কমলা বেগম (৪৫) বলেন, ‘সন্ধ্যার সময় আসাদুলের নেতৃত্বে তার পরিবারের লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে হামলা করে। আমার স্বামী তাকে অনেক অনুরোধ করে। কিন্তু তারা তাকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তার হাতে আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এ সময় সঙ্গে বহিরাগত কিছু লোকও ছিল।’
তবে হামলার কথা অস্বীকার করেছেন আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জিয়ার নেতৃত্বে ২০-২৫ জন আমাদের বাসায় হামলা করেছে। এতে আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও ১১ বছর বয়সী মেয়ে আহত হয়েছে। প্রতিপক্ষ আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে। ১০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে। তাদের সঙ্গে আমাদের আগে থেকেই জায়গা নিয়ে বিরোধ ছিল। তার জের ধরেই আজকে হামলা করেছে।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, ‘দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা জেনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে