Ajker Patrika

ভোলা হাসপাতাল: আইসিইউর দাবিতে অবস্থান

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলা হাসপাতাল: আইসিইউর দাবিতে অবস্থান
বন্ধ আইসিইউ চালুর দাবিতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ভোলা জেনারেল হাসপাতালের প্রবেশপথে গতকাল দুপুরে প্ল্যাকার্ড হাতে যুবক নয়ন খানের অবস্থান। তাঁর দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অবস্থান নেন আরও তিন তরুণ। আজকের পত্রিকা

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ভোলা জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনের প্রবেশপথে গতকাল বুধবার দুপুরে প্ল্যাকার্ড হাতে বসে থাকতে দেখা যায় যুবক নয়ন খানকে। হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে–দ্বীপ জেলা ভোলার মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ও সিসিইউ চালু করা হোক। তাঁর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে পাশে বসেছেন আরও তিন যুবক।

ভোলা পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া এলাকায় বসবাস করা নয়ন জানান, গত ২৬ অক্টোবর রাতে অসুস্থ বাবাকে ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। কিন্তু প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসা ও আইসিইউ সুবিধা না থাকায় বাবাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি বলে মনে করেন তিনি। এ জন্য বন্ধ থাকা আইসিই চালু করার দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন দুপুরের দিকে কখনো আধা ঘণ্টা আবার কখনো এক ঘণ্টা একাই হাসপাতালের সামনে হাতে একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়ান। হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ ও সিসিইউ চালু না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে জানান।

নয়ন আরও বলেন, ‘আট দিন ধরে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসলেও কর্তৃপক্ষ আজও আমার কাছে আসেনি। তারা কেউ জানতেও চায়নি আমি কেন এ কর্মসূচি পালন করছি।’

নয়ন খানের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে পাশে দাঁড়িয়েছেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সার প্রিন্স আইয়ুব এবং নাজিউর রহমান কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. তানজিল শরীফ। তাঁদের সবার বাড়ি ভোলার বিভিন্ন এলাকায়।

মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘নয়নের এ দাবি তাঁর একার নয়। এটা ভোলাবাসীর দাবি। তাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেখে ঢাকা থেকে ভোলায় এসে নয়নের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছি।’

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী বলেন, পাঁচ বছর আগে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা স্থাপন করা হলেও জনবল সংকটে তা চালু হচ্ছে না।

ভোলা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. আরাফাতুর রহমান বলেন, আইসিইউ সেবা চালু না থাকায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের বরিশাল ও ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ডেঙ্গু, হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোকের জটিল রোগীদের ক্ষেত্রেও এমন হচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত