ভোলা প্রতিনিধি

ভোলায় নতুন আবিষ্কার ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন পরীক্ষা শেষ হয়েছে। গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গ্যাসক্ষেত্রটিকে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। জেলার সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের মালেরহাট এলাকায় এই গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত।
আজ মঙ্গলবার সকালে ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন পরীক্ষা শেষ হয়েছে বলে জানান বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর হোসেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের ২৯তম ভোলা সদরের ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র থেকে আমরা উৎপাদন পরীক্ষা শেষ করেছি। এই লক্ষ্যে যন্ত্রপাতি বসিয়ে যা যা করার তা করে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হবে। বাপেক্স আরও দুটি টেস্টিংয়ের কাজ শুরু করবে।’
ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্রে মোট ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) অথবা এরও বেশি ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব, তা চলবে প্রায় ২৬ বছর।’
বাপেক্স জানায়, ভোলায় বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়েছে, যার সূত্র ধরেই ৯টি কূপ খনন হয়েছে। প্রতিটি কূপেই অনেক বেশি পরিমাণ গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। আরও পাঁচটি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের।
ভোলায় আরও একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাপেক্স। সেটি আবিষ্কৃত হলে গ্যাসক্ষেত্র খননের সংখ্যা আরও বাড়বে। এ ছাড়া চরফ্যাশন ও মনপুরায় গ্যাসের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে জরিপ করবে বাপেক্স। আরও নতুন পাঁচটি কূপ খননের অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে শাহবাজপুরে দুটি, ভোলা নর্থে দুটি ও ইলিশায় একটি। আরও গ্যাস অনুসন্ধানে জরিপ করবে বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগ।
১৯৯৩-৯৪ সালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে প্রথম শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর ১৯৯৫ সালের দিকে উৎপাদনে যায় বাপেক্স। এরপর থেকেই উপকূলীয় এই দ্বীপ জেলা ভোলায় একের পর এক গ্যাসের সন্ধান মেলে।

ভোলায় নতুন আবিষ্কার ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন পরীক্ষা শেষ হয়েছে। গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গ্যাসক্ষেত্রটিকে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। জেলার সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের মালেরহাট এলাকায় এই গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত।
আজ মঙ্গলবার সকালে ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন পরীক্ষা শেষ হয়েছে বলে জানান বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর হোসেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের ২৯তম ভোলা সদরের ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র থেকে আমরা উৎপাদন পরীক্ষা শেষ করেছি। এই লক্ষ্যে যন্ত্রপাতি বসিয়ে যা যা করার তা করে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হবে। বাপেক্স আরও দুটি টেস্টিংয়ের কাজ শুরু করবে।’
ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্রে মোট ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) অথবা এরও বেশি ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব, তা চলবে প্রায় ২৬ বছর।’
বাপেক্স জানায়, ভোলায় বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়েছে, যার সূত্র ধরেই ৯টি কূপ খনন হয়েছে। প্রতিটি কূপেই অনেক বেশি পরিমাণ গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। আরও পাঁচটি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের।
ভোলায় আরও একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাপেক্স। সেটি আবিষ্কৃত হলে গ্যাসক্ষেত্র খননের সংখ্যা আরও বাড়বে। এ ছাড়া চরফ্যাশন ও মনপুরায় গ্যাসের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে জরিপ করবে বাপেক্স। আরও নতুন পাঁচটি কূপ খননের অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে শাহবাজপুরে দুটি, ভোলা নর্থে দুটি ও ইলিশায় একটি। আরও গ্যাস অনুসন্ধানে জরিপ করবে বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগ।
১৯৯৩-৯৪ সালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে প্রথম শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর ১৯৯৫ সালের দিকে উৎপাদনে যায় বাপেক্স। এরপর থেকেই উপকূলীয় এই দ্বীপ জেলা ভোলায় একের পর এক গ্যাসের সন্ধান মেলে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে