
ভোলার বোরহানউদ্দিনে ইটভাটায় কৃষিজমির মাটি ব্যবহারের জন্য এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের রামকেশব গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাস।
রণজিৎ চন্দ্র দাস আজকের পত্রিকাকে জানান, আজ বেলা ১১টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের রামকেশব এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানকালে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে ঘটনাস্থল থেকে মো. লিমনকে (২২) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় আসামিকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। আটক লিমন কুতুবা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. রুহুল আমিনের ছেলে।
সহকারী কমিশনার আরও জানান, আটক মো. লিমন নিজের দোষ স্বীকার করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করবেন না মর্মে অঙ্গীকারনামাও দিয়েছেন।
আগামী দিনে কৃষিজমি রক্ষায় জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান সহকারী কমিশনার (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাস। অভিযানে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় ছাত্রদলের এক নেতাকে চাকু দিয়ে আঘাত করলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত ব্যক্তির স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী চোর না। ডেকে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। শিশুসন্তানের মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছে, চুরি করেনি। মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে সে বিষ খেয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে অভিযান চালালেও পুলিশের চোখের সামনেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। হাইওয়ে পুলিশ বলছে, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই তাঁরা পুলিশ সদস্যদের লাঞ্চিত করছেন। এ জন্
৫ ঘণ্টা আগে
গত চার দিনে খুলনায় তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে খুলনা মহানগরীতে দুটি এবং জেলায় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। এলাকার আধিপত্য বিস্তার, মাদক বেচাকেনা, চাঁদাবাজি ও চরমপন্থী সম্পৃক্ততায় এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এসবের পেছনে রয়েছে সাতটি সন্ত্রাসী বাহিনী।
৬ ঘণ্টা আগে