লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

ভোলার লালমোহনে বাইপাস সড়কের নির্মাণাধীন ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগের শেষ নেই যাত্রীদের। এতে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছে হাজার হাজার যাত্রী। আর এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ট্রলারের মালিকদের তোপের মুখে পড়ে যাত্রীরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি মেরামত না করায় প্রতিদিন ট্রলার দিয়ে খাল পার হতে হচ্ছে যাত্রীদের। এতে করে মাথাপিছু যাত্রীকে দিতে হয় ১০ টাকা। মোটরসাইকেল পার করতে দিতে হয় ৩০ টাকা। আবার অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে, যাদের নিয়ন্ত্রণে চলে অস্থায়ী ট্রলার পারাপারের ব্যবসা। এই প্রভাবশালীরা মানছেন না স্থানীয় প্রশাসনকে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ শিক্ষকেরা।
চরফ্যাশন থেকে আসা এস আই মুকুল, মো. ইব্রাহিমসহ কয়েকজন যাত্রী জানান, চরফ্যাশন থেকে ছেড়ে আসা বাসে করে ডাওরী বাজারের দক্ষিণ পাশে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। ব্রিজ ভাঙা থাকায় খালটি ট্রলারে পার হতে হয়। এর জন্য ১০ টাকা করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এইটুকু পথ পার হতে সর্বোচ্চ ২ টাকা নিতে পারে। এই নিয়ে কথা বললে ট্রলার মালিকেরা ট্রলার বন্ধ করে রাখেন। যে কারণে খালের দুই পাড়ে যাত্রীদের ভিড় লেগেই থাকে। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তারা।
আরেক যাত্রী রফিক জানান, মোটরসাইকেলসহ পার করতে চেয়েছেন ৩০ টাকা। প্রতিবাদ করায় শাস্তি হিসেবে তাকে দাঁড় করে রেখেছেন এক ঘণ্টা। অবশেষে ৩০ টাকার বিনিময় পার হয়েছেন তিনি। পরে তিনি মনে কষ্ট নিয়ে চলে যান ভোলায়।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, যাত্রী দুর্ভোগের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ট্রলারমালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যে চেয়ারম্যানের সহায়তায় যাত্রীদের এ দুর্ভোগ লাঘব হবে।
ভোলার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম জানান, খালের পানির স্রোতের কারণে কাজে বিলম্ব হচ্ছে। ব্রিজটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করতে আরও চার-পাঁচ দিনের মতো সময় লাগবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পল্লব কুমার হাজরা বলেন, ‘লালমোহনের ডাওরী বাজারের ব্রিজসংলগ্ন (আঞ্চলিক মহাসড়ক) খেয়া পারাপারে হয়রানির বিষয়টি আমি শুনেছি। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মাননীয় জেলা প্রশাসক, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, লালমোহন থানার নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ, ভোলাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের লালমোহন উপজেলার ডাওরী বাজার এলাকায় বাইপাস বেইলি ব্রিজ ভেঙে একটি পাথরবোঝাই ট্রাক, একটি প্রাইভেট কার, দুটি ইজিবাইক ও একটি অটোরিকশা খালের মধ্যে পড়ে যায়।

ভোলার লালমোহনে বাইপাস সড়কের নির্মাণাধীন ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগের শেষ নেই যাত্রীদের। এতে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছে হাজার হাজার যাত্রী। আর এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ট্রলারের মালিকদের তোপের মুখে পড়ে যাত্রীরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি মেরামত না করায় প্রতিদিন ট্রলার দিয়ে খাল পার হতে হচ্ছে যাত্রীদের। এতে করে মাথাপিছু যাত্রীকে দিতে হয় ১০ টাকা। মোটরসাইকেল পার করতে দিতে হয় ৩০ টাকা। আবার অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে, যাদের নিয়ন্ত্রণে চলে অস্থায়ী ট্রলার পারাপারের ব্যবসা। এই প্রভাবশালীরা মানছেন না স্থানীয় প্রশাসনকে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ শিক্ষকেরা।
চরফ্যাশন থেকে আসা এস আই মুকুল, মো. ইব্রাহিমসহ কয়েকজন যাত্রী জানান, চরফ্যাশন থেকে ছেড়ে আসা বাসে করে ডাওরী বাজারের দক্ষিণ পাশে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। ব্রিজ ভাঙা থাকায় খালটি ট্রলারে পার হতে হয়। এর জন্য ১০ টাকা করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এইটুকু পথ পার হতে সর্বোচ্চ ২ টাকা নিতে পারে। এই নিয়ে কথা বললে ট্রলার মালিকেরা ট্রলার বন্ধ করে রাখেন। যে কারণে খালের দুই পাড়ে যাত্রীদের ভিড় লেগেই থাকে। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তারা।
আরেক যাত্রী রফিক জানান, মোটরসাইকেলসহ পার করতে চেয়েছেন ৩০ টাকা। প্রতিবাদ করায় শাস্তি হিসেবে তাকে দাঁড় করে রেখেছেন এক ঘণ্টা। অবশেষে ৩০ টাকার বিনিময় পার হয়েছেন তিনি। পরে তিনি মনে কষ্ট নিয়ে চলে যান ভোলায়।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, যাত্রী দুর্ভোগের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ট্রলারমালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যে চেয়ারম্যানের সহায়তায় যাত্রীদের এ দুর্ভোগ লাঘব হবে।
ভোলার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম জানান, খালের পানির স্রোতের কারণে কাজে বিলম্ব হচ্ছে। ব্রিজটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করতে আরও চার-পাঁচ দিনের মতো সময় লাগবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পল্লব কুমার হাজরা বলেন, ‘লালমোহনের ডাওরী বাজারের ব্রিজসংলগ্ন (আঞ্চলিক মহাসড়ক) খেয়া পারাপারে হয়রানির বিষয়টি আমি শুনেছি। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মাননীয় জেলা প্রশাসক, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, লালমোহন থানার নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ, ভোলাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের লালমোহন উপজেলার ডাওরী বাজার এলাকায় বাইপাস বেইলি ব্রিজ ভেঙে একটি পাথরবোঝাই ট্রাক, একটি প্রাইভেট কার, দুটি ইজিবাইক ও একটি অটোরিকশা খালের মধ্যে পড়ে যায়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে