
সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলার মেঘনা নদীতে ডেঞ্জার জোনে অবৈধভাবে যাত্রী পরিবহনের দায়ে দুটি স্টিল বডি ট্রলারসহ তিনজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট-সংলগ্ন এলাকায় মেঘনা নদীতে আজ বুধবার সকালে অভিযান চালিয়ে ট্রলারসহ তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ মাঝির ছেলে মো. রাসেল (৩০), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বাইতুস সাইফ দরবারে শরিফের রহমনীমহোন এলাকার মো. মাহমুদ হোসেনের ছেলে মো. মহসিন (৩১) এবং একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো. হারুন অর রশিদ (৪০)।
কোস্ট গার্ড জানায়, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন ইলিশা ও ভোলা বিআইডব্লিউটিএর সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বুধবার সকাল ৭টায় ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ওই এলাকায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লক্ষ্মীপুর থেকে ইলিশা নৌ-রুটে ট্রলারে করে অবৈধভাবে যাত্রী পারাপারের সময় দুটি স্টিল বডি ট্রলারসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম বলেন, জব্দ ট্রলার ও আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিআইডব্লিউটিএর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করেছে। এবারের বন্যায় জেলার অন্তত ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া বন্যার দূষিত পানিতে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে অনেকের শরীরে ছত্রাক সংক্রমণ, শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
এক বছর ধরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক সংস্কার ও নালা নির্মাণের কাজ চলছে। দুটি প্যাকেজে ৩৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৭ টাকার চুক্তিমূল্যে ১২ স্থানে সাড়ে ৭ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৫ স্থানে সাড়ে ১০ কিলোমিটার নালা নির্মাণের কাজ চলছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সন্ধ্যা গড়াতেই শ্রাবণের বৃষ্টি আরও ঘন হয়ে নামে। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের কার্নিশ ছুঁয়ে মাধবীলতার পাতায় জমতে থাকে বৃষ্টির ফোঁটা। এমন বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মিলনায়তনে ভেসে আসে সুরের মূর্ছনা—‘আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়, আমার কথার ফুল গো–কুড়িয়ে তুমি নিও’।
৬ ঘণ্টা আগেনাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভায় ছাড় (রিবেট) সুবিধা দিয়েও হোল্ডিং ট্যাক্সের (পৌর কর) প্রায় ২ কোটি টাকা আদায় হচ্ছে না। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মাসের বকেয়া বেতন । অপর দিকে ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম। পৌরসভার কর বিভাগের দাবি, নাগরিক পর্যায়ে কর আদায় হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান...
৬ ঘণ্টা আগে