নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল ও হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুনের তেমন প্রভাব পড়েনি বরিশাল ও নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় এলাকা হাতিয়ায়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুটি এলাকাতেই এক দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে সারা দেশের নৌ চলাচল। ঘূর্ণিঝড়কে কেন্দ্র করে এ এলাকাবাসীর মধ্যে যে আতঙ্ক ছিল, তা বর্তমানে কেটে গেছে।
আজ বুধবার সকাল ৭টায় হাতিয়ার চতলার ঘাট থেকে নলচিরা ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায় বার আউলিয়া নামের একটি যাত্রীবাহী ট্রলার। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ঘাট থেকে বেশ কয়েকটি ট্রলার ও স্পিডবোট ছেড়ে গেছে বিভিন্ন গন্তব্যে।
অন্যদিকে সকাল ৮টা থেকে বরিশাল থেকেও সব রুটে সব ধরনের নৌ চলাচল শুরু হয় বলে জানিয়েছেন নৌবন্দর কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুনের বিপদ কেটে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটে, সব ধরনের নৌযান চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে সব রুটে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।’
হাতিয়া উপকূলের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘূর্ণিঝড় হামুন হাতিয়া উপকূলে আঘাত হানবে—আবহাওয়া অফিসের এমন তথ্যে হাতিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী আতঙ্ক কাজ করছিল। নদীর তীরের দোকানপাট থেকে বিকেলের মধ্যে সব মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নেন ব্যবসায়ীরা। মেঘনার পাশে বসতি থাকা অনেকেই সরে যান নিরাপদ আশ্রয়ে। তবে আজ বুধবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশে স্বস্তি ফিরে দ্বীপবাসীর মধ্যে।
সকালে সরেজমিন দেখা যায়, হাতিয়ার নলচিরা ঘাটে যাত্রীদের ভিড়। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে নিঝুমদ্বীপে আসা পর্যটকেরা নদী পার হচ্ছেন। তাঁরা জানান, গতকাল দুপুরে ঘাট থেকে ফিরে গেছেন। সকালে নৌ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় এখন নদী পার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া আক্তার লাকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামুনের তেমন প্রভাব পড়েনি হাতিয়ায়। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় নৌ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে যাত্রীরা বিভিন্ন রুটে চলাচল করছে।’
প্রায় একই রকম পরিস্থিতি বরিশালেও। দিনভর নগরীসহ আশপাশের আবহাওয়া ছিল স্বাভাবিক। ঝড়ে কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। গতকাল দিবাগত মধ্যরাত থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ওপর থেকে শঙ্কা কেটে যায়।
আজ সকালে নৌবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। বরিশাল-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচলের প্রস্তুতি চলছে। যাত্রীরা স্বস্তিতে গন্তব্যে ছুটছেন।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামুন কক্সবাজারে আঘাত হেনেছে। যে কারণে দক্ষিণাঞ্চলের ওপরে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি। তবে ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুনের তেমন প্রভাব পড়েনি বরিশাল ও নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় এলাকা হাতিয়ায়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুটি এলাকাতেই এক দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে সারা দেশের নৌ চলাচল। ঘূর্ণিঝড়কে কেন্দ্র করে এ এলাকাবাসীর মধ্যে যে আতঙ্ক ছিল, তা বর্তমানে কেটে গেছে।
আজ বুধবার সকাল ৭টায় হাতিয়ার চতলার ঘাট থেকে নলচিরা ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায় বার আউলিয়া নামের একটি যাত্রীবাহী ট্রলার। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ঘাট থেকে বেশ কয়েকটি ট্রলার ও স্পিডবোট ছেড়ে গেছে বিভিন্ন গন্তব্যে।
অন্যদিকে সকাল ৮টা থেকে বরিশাল থেকেও সব রুটে সব ধরনের নৌ চলাচল শুরু হয় বলে জানিয়েছেন নৌবন্দর কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুনের বিপদ কেটে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটে, সব ধরনের নৌযান চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে সব রুটে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।’
হাতিয়া উপকূলের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘূর্ণিঝড় হামুন হাতিয়া উপকূলে আঘাত হানবে—আবহাওয়া অফিসের এমন তথ্যে হাতিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী আতঙ্ক কাজ করছিল। নদীর তীরের দোকানপাট থেকে বিকেলের মধ্যে সব মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নেন ব্যবসায়ীরা। মেঘনার পাশে বসতি থাকা অনেকেই সরে যান নিরাপদ আশ্রয়ে। তবে আজ বুধবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশে স্বস্তি ফিরে দ্বীপবাসীর মধ্যে।
সকালে সরেজমিন দেখা যায়, হাতিয়ার নলচিরা ঘাটে যাত্রীদের ভিড়। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে নিঝুমদ্বীপে আসা পর্যটকেরা নদী পার হচ্ছেন। তাঁরা জানান, গতকাল দুপুরে ঘাট থেকে ফিরে গেছেন। সকালে নৌ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় এখন নদী পার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া আক্তার লাকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামুনের তেমন প্রভাব পড়েনি হাতিয়ায়। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় নৌ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে যাত্রীরা বিভিন্ন রুটে চলাচল করছে।’
প্রায় একই রকম পরিস্থিতি বরিশালেও। দিনভর নগরীসহ আশপাশের আবহাওয়া ছিল স্বাভাবিক। ঝড়ে কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। গতকাল দিবাগত মধ্যরাত থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ওপর থেকে শঙ্কা কেটে যায়।
আজ সকালে নৌবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। বরিশাল-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচলের প্রস্তুতি চলছে। যাত্রীরা স্বস্তিতে গন্তব্যে ছুটছেন।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামুন কক্সবাজারে আঘাত হেনেছে। যে কারণে দক্ষিণাঞ্চলের ওপরে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি। তবে ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে