মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের মুলাদীতে ফসলি জমি থেকে ইটভাটায় মাটি নেওয়ায় বাধা দেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের চরমিঠুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন।
কাজিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি জালাল ঘরামী ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক টগর ঘরামী লোকজন নিয়ে একই এলাকার সেলিম ঘরামী, কহিনূর বেগমসহ ৫ জনকে জখম করেন বলে অভিযোগ করেছেন আহতরা।
এ ঘটনায় সেলিম ঘরামীর ভাতিজা শাহজাহান ঘরামী বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই ১৩ জনকে আসামি করে মুলাদী থানায় মামলা করেছেন। মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাদী শাহজাহান ঘরামী জানান, জালাল ঘরামী ও তাঁর লোকজন ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি থেকে কাজিরচর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর এলাকার একটি ইটভাটায় মাটি বিক্রি করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ইটভাটার শ্রমিকেরা চরমিঠুয়া গ্রামে সেলিম ঘরামীর ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা শুরু করলে তিনি বাধা দেন। বিষয়টি শ্রমিকেরা জালাল ঘরামীকে জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হন।
পরে বিকেলে জালাল ঘরামী, টগর ঘরামী, নাহিদ হোসেন, রানা ঘরামীসহ ১২-১৫ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেলিম ঘরামীকে মারধর করেন। ওই সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কহিনূর বেগম, ভাতিজা শাহজাহান ঘরামী, রাসেল হোসেনসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন। আহতদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন তাদের উদ্ধার করে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুলাদী হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হামলা ও মারধরের কথা অস্বীকার করে কাজিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি জালাল ঘরামী বলেন, ‘আমাদের জমি থেকে ইটভাটায় মাটি বিক্রি করেছি। সেলিম ঘরামী ওই জমির মালিকানা দাবি করে মাটি কাটায় বাধা দিয়েছেন। এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করায় তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছে। তিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন।’
এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বরিশালের মুলাদীতে ফসলি জমি থেকে ইটভাটায় মাটি নেওয়ায় বাধা দেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের চরমিঠুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন।
কাজিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি জালাল ঘরামী ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক টগর ঘরামী লোকজন নিয়ে একই এলাকার সেলিম ঘরামী, কহিনূর বেগমসহ ৫ জনকে জখম করেন বলে অভিযোগ করেছেন আহতরা।
এ ঘটনায় সেলিম ঘরামীর ভাতিজা শাহজাহান ঘরামী বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই ১৩ জনকে আসামি করে মুলাদী থানায় মামলা করেছেন। মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাদী শাহজাহান ঘরামী জানান, জালাল ঘরামী ও তাঁর লোকজন ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি থেকে কাজিরচর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর এলাকার একটি ইটভাটায় মাটি বিক্রি করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ইটভাটার শ্রমিকেরা চরমিঠুয়া গ্রামে সেলিম ঘরামীর ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা শুরু করলে তিনি বাধা দেন। বিষয়টি শ্রমিকেরা জালাল ঘরামীকে জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হন।
পরে বিকেলে জালাল ঘরামী, টগর ঘরামী, নাহিদ হোসেন, রানা ঘরামীসহ ১২-১৫ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেলিম ঘরামীকে মারধর করেন। ওই সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কহিনূর বেগম, ভাতিজা শাহজাহান ঘরামী, রাসেল হোসেনসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন। আহতদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন তাদের উদ্ধার করে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুলাদী হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হামলা ও মারধরের কথা অস্বীকার করে কাজিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি জালাল ঘরামী বলেন, ‘আমাদের জমি থেকে ইটভাটায় মাটি বিক্রি করেছি। সেলিম ঘরামী ওই জমির মালিকানা দাবি করে মাটি কাটায় বাধা দিয়েছেন। এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করায় তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছে। তিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন।’
এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২১ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে