সাইফুল ইসলাম আকাশ, বোরহানউদ্দিন (ভোলা)

ভোলা জেলার সেরা বিদ্যাপীঠ ভোলা সরকারি কলেজ। জেলার একমাত্র উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এটিই। তবে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, ভেঙে পড়েছে শিক্ষাব্যবস্থা। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকেরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
১৯৬২ সালে আলতাজের রহমান তালুকদার, হাজি খোরশেদ আলম, ইলিয়াস আলী মাস্টার, মো. ছিদ্দিক, মোসলেউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষানুরাগী মিলে ১৫ দশমিক ৬০ একর জমির ওপর কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৯ সালে কলেজটি সরকারীকরণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে ১৬টি বিষয়ে অনার্স, ১৪টি বিষয়ে মাস্টার্স ও ডিগ্রিসহ (পাস) উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি চালু রয়েছে। ভোলার সাতটি উপজেলা ও জেলার বাইরে থেকে আসা ৮ হাজার শিক্ষার্থী স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারছে।
তবে বর্তমানে কলেজটি শিক্ষক ও অবকাঠামোর সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। কলেজটিতে ৮৯ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মাত্র ৪৩ জন শিক্ষক দিয়েই কার্যক্রম চলছে। উপাধ্যক্ষ পদটিও শূন্য প্রায় চার বছর ধরে।
বিভাগ হিসেবেও রয়েছে শিক্ষকের সংকট। ইংরেজি বিভাগে ছয়জনের মধ্যে আছেন চারজন, অর্থনীতিতে পাঁচজনের মধ্যে দুজন, বাংলায় সাতজনের মধ্যে ছয়জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে তিনজন, ইতিহাসে চারজনের মধ্যে দুজন, ইসলামের ইতিহাসে চারজনের মধ্যে একজন, দর্শনে চারজনের মধ্যে একজন, সমাজকর্মে ছয়জনের মধ্যে দুজন, ভূগোলে চারজনের মধ্যে দুজন, গণিতে চারজনের মধ্যে দুজন, পদার্থবিজ্ঞানে চারজনের মধ্যে দুজন, রসায়নে চারজনের মধ্যে একজন, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞানে চারজনের মধ্যে দুজন করে, মৃত্তিকাবিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে একজন, হিসাববিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে দুজন, ব্যবস্থাপনায় ছয়জনের মধ্যে দুজন, আরবি ও ইসলাম শিক্ষায় দুজনের মধ্যে একজন কর্মরত রয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচজন প্রশিক্ষণসহ নানা ছুটিতে রয়েছেন।
এত অল্প শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। এই সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীরা কয়েক দফা মানববন্ধন ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করেও কোনো সুরাহা হয়নি। হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের কয়েকজন ছাত্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, `যে সুনামের জন্য ভোলা সরকারি কলেজে লেখাপড়ার জন্য এসেছি, তার এমন করুণ অবস্থা আগে বুঝতে পারিনি।'
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম আদহাম সূর্য বলেন, `আগে এই কলেজের অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেলে চান্স পেত। এ বছর কেউ পায়নি। আমরা মৌলিক বিষয়ে তেমন কিছু শিখতে পারিনি। এর দায়ভার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এবং শিক্ষা অধিদপ্তরকে নিতে হবে।'
এ প্রসঙ্গে ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন বলেন, `বিষয়টি দুঃখজনক হলেও সত্য, শিক্ষার্থীদের চাহিদামতো ক্লাস আমরা নিতে পারছি না। আমার বিভাগে আমি একা থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান, দাপ্তরিক কাজসহ সবকিছু আমাকেই দেখতে হচ্ছে।'
ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া বলেন, `দুর্ভাগ্যের বিষয়, ৮৯ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৪৩ জন শিক্ষক নিয়েই চলতে হচ্ছে আমাদের। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে অবহিত রয়েছে। শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।'

ভোলা জেলার সেরা বিদ্যাপীঠ ভোলা সরকারি কলেজ। জেলার একমাত্র উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এটিই। তবে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, ভেঙে পড়েছে শিক্ষাব্যবস্থা। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকেরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
১৯৬২ সালে আলতাজের রহমান তালুকদার, হাজি খোরশেদ আলম, ইলিয়াস আলী মাস্টার, মো. ছিদ্দিক, মোসলেউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষানুরাগী মিলে ১৫ দশমিক ৬০ একর জমির ওপর কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৯ সালে কলেজটি সরকারীকরণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে ১৬টি বিষয়ে অনার্স, ১৪টি বিষয়ে মাস্টার্স ও ডিগ্রিসহ (পাস) উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি চালু রয়েছে। ভোলার সাতটি উপজেলা ও জেলার বাইরে থেকে আসা ৮ হাজার শিক্ষার্থী স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারছে।
তবে বর্তমানে কলেজটি শিক্ষক ও অবকাঠামোর সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। কলেজটিতে ৮৯ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মাত্র ৪৩ জন শিক্ষক দিয়েই কার্যক্রম চলছে। উপাধ্যক্ষ পদটিও শূন্য প্রায় চার বছর ধরে।
বিভাগ হিসেবেও রয়েছে শিক্ষকের সংকট। ইংরেজি বিভাগে ছয়জনের মধ্যে আছেন চারজন, অর্থনীতিতে পাঁচজনের মধ্যে দুজন, বাংলায় সাতজনের মধ্যে ছয়জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে তিনজন, ইতিহাসে চারজনের মধ্যে দুজন, ইসলামের ইতিহাসে চারজনের মধ্যে একজন, দর্শনে চারজনের মধ্যে একজন, সমাজকর্মে ছয়জনের মধ্যে দুজন, ভূগোলে চারজনের মধ্যে দুজন, গণিতে চারজনের মধ্যে দুজন, পদার্থবিজ্ঞানে চারজনের মধ্যে দুজন, রসায়নে চারজনের মধ্যে একজন, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞানে চারজনের মধ্যে দুজন করে, মৃত্তিকাবিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে একজন, হিসাববিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে দুজন, ব্যবস্থাপনায় ছয়জনের মধ্যে দুজন, আরবি ও ইসলাম শিক্ষায় দুজনের মধ্যে একজন কর্মরত রয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচজন প্রশিক্ষণসহ নানা ছুটিতে রয়েছেন।
এত অল্প শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। এই সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীরা কয়েক দফা মানববন্ধন ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করেও কোনো সুরাহা হয়নি। হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের কয়েকজন ছাত্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, `যে সুনামের জন্য ভোলা সরকারি কলেজে লেখাপড়ার জন্য এসেছি, তার এমন করুণ অবস্থা আগে বুঝতে পারিনি।'
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম আদহাম সূর্য বলেন, `আগে এই কলেজের অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেলে চান্স পেত। এ বছর কেউ পায়নি। আমরা মৌলিক বিষয়ে তেমন কিছু শিখতে পারিনি। এর দায়ভার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এবং শিক্ষা অধিদপ্তরকে নিতে হবে।'
এ প্রসঙ্গে ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন বলেন, `বিষয়টি দুঃখজনক হলেও সত্য, শিক্ষার্থীদের চাহিদামতো ক্লাস আমরা নিতে পারছি না। আমার বিভাগে আমি একা থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান, দাপ্তরিক কাজসহ সবকিছু আমাকেই দেখতে হচ্ছে।'
ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া বলেন, `দুর্ভাগ্যের বিষয়, ৮৯ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৪৩ জন শিক্ষক নিয়েই চলতে হচ্ছে আমাদের। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে অবহিত রয়েছে। শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।'

দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
১০ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া খাদ্যগুদামে (এলএসডি) রেকর্ড ছাড়া অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪৫০ কেজি চালের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। আজ মঙ্গলবার দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্বে দেন ঠাকুরগাঁও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আজমীর শরীফ।
১ ঘণ্টা আগে