
জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে পটুয়াখালীর ঝাউতলায় নির্মিত ‘৩৬ জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা আজ শুক্রবার সকালে স্মৃতিস্তম্ভের নিচের অংশে আগুন দেওয়ার চিহ্ন ও কালো দাগ দেখতে পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগুন দেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।

জুলাই যোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘শহীদদের প্রতি অবমাননাকর এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। আমরা গতকাল সারা দিন পাহারায় ছিলাম। ঝাউতলা আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভ যেকোনোভাবে অক্ষত রাখব। প্রশাসনের কাছে দাবি, ভিডিও ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করতে হবে।’
ঝাউতলা এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘রাতে কে বা কারা এসে আগুন ধরানোর চেষ্টা করেছে বুঝতে পারছি না। সকালে এসে কালো দাগ দেখে আমরা হতবাক হয়ে যাই।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) তারেক হাওলাদার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আগুনে স্মৃতিস্তম্ভের বড় কোনো ক্ষতি হয়নি, শুধু নিচের দিকে কিছুটা কালো দাগ রয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দোষীদের শনাক্ত করা হবে।’
এদিকে পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

শরীয়তপুর সদর ও ডামুড্যা উপজেলায় দেড় বছর ধরে সাব-রেজিস্ট্রার পদটি শূন্য রয়েছে। এ কারণে জমি কেনাবেচা ও দলিল নিবন্ধন করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দুই উপজেলার মানুষ। এ ছাড়া সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় দলিল লেখকেরা কার্যত কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এ কারণে তাঁরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের মেঝেতে কাতরাচ্ছে শিশু তানিয়া (১১)। হাড্ডিসার শরীরজুড়ে ক্ষতচিহ্ন। মাথায় একাধিক সেলাই। পিঠে গভীর ক্ষত। পচন ধরেছে দুই পায়ের ক্ষততেও। মাতৃহীন শিশুটি জানায়, ঢাকায় এক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছে সে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি দুই বছরেও চালু হয়নি। এতে শুধু বিশুদ্ধ পানি থেকে বাসিন্দারা বঞ্চিত হচ্ছেন তা নয়, স্থাপনাটির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা ও বনাঞ্চল কেটে একের পর এক রিসোর্ট গড়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে জেলায় এমন রিসোর্টের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ হলেও এর বেশির ভাগের অনুমোদন ও বৈধতার তথ্য নেই সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে। বিশেষ করে শ্রীমঙ্গলে তৈরি হয়েছে শতাধিক রিসোর্ট।
৪ ঘণ্টা আগে