আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে ভোট যুদ্ধে লড়বেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী টি এম তুহিন। তিনজনেই জয়ের বিষয়ে আশাবাদী।
আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (নৌকা), জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী (লাঙ্গল) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির বরিশাল জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও গৌরনদী উপজেলার আহ্বায়ক টি এম তুহিন (আম) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচন কমিশন থেকে গত সোমবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর প্রার্থীরা নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে প্রচার, প্রচারণা ও গণসংযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের ন্যায় গতকাল মঙ্গলবার এই আসনে বিজয় শোভাযাত্রায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্যের ছেলে সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে বিজয় শোভাযাত্রায় হাজার হাজার নেতা—কর্মীর কণ্ঠে নৌকার স্লোগানে মুখরিত ছিল উপজেলা সদর জুড়ে।
বরিশাল-১ আসনটি স্বাধীনতার পরবর্তীতে সময়ে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা এই আসন থেকে বিজয়ী হয়ে আসছেন। ২০০৮ সালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ মামলার কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় এই আসন থেকে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। তবে ২০০১ সালে বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই নির্বাচনের পরে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীদের অত্যাচার-নির্যাতনের কারণে গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা পার্শ্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ার রামশীলে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
এই ঘটনা দেশ-বিদেশে আলোচিত হওয়ায় ওই সময়ে বিএনপি সরকার গঠনের পরে সেই সময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী শপথ গ্রহণ করে প্রথমেই আগৈলঝাড়া সফরে আসেন। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। বরিশাল-১ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪ হাজার ৩০৪ জন, মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৯টি।
এ বিষয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) বরিশাল জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আম প্রতীকের প্রার্থী টি এম তুহিন বলেন, ‘১৯ ডিসেম্বর সকাল থেকে গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছি। আজ বুধবার সকালে উপজেলা সদরে নেতা-কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেছি। আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারলে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’
এই আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী বলেন, ‘আমি নির্বাচনের জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে দুটি করে অফিস নেব। প্রতিটি অফিসে পাঁচটি করে চেয়ার থাকবে। নেতা-কর্মীরা গণসংযোগ করে ওই অফিসে এসে বিশ্রাম নেবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভোটাররা ভোট কেন্দ্র গিয়ে নিজের ইচ্ছায় ভোট দিতে পারলে আমি বিজয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।’
এ বিষয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পক্ষে আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘সারা দেশে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নসহ আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই নির্বাচনী এলাকার জনগণ পুনরায় বিপুল ভোটে তাঁকে নির্বাচিত করবে। আমার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বিজয়ে শতভাগ আশাবাদী।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে ভোট যুদ্ধে লড়বেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী টি এম তুহিন। তিনজনেই জয়ের বিষয়ে আশাবাদী।
আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (নৌকা), জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী (লাঙ্গল) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির বরিশাল জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও গৌরনদী উপজেলার আহ্বায়ক টি এম তুহিন (আম) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচন কমিশন থেকে গত সোমবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর প্রার্থীরা নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে প্রচার, প্রচারণা ও গণসংযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের ন্যায় গতকাল মঙ্গলবার এই আসনে বিজয় শোভাযাত্রায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্যের ছেলে সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে বিজয় শোভাযাত্রায় হাজার হাজার নেতা—কর্মীর কণ্ঠে নৌকার স্লোগানে মুখরিত ছিল উপজেলা সদর জুড়ে।
বরিশাল-১ আসনটি স্বাধীনতার পরবর্তীতে সময়ে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা এই আসন থেকে বিজয়ী হয়ে আসছেন। ২০০৮ সালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ মামলার কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় এই আসন থেকে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। তবে ২০০১ সালে বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই নির্বাচনের পরে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীদের অত্যাচার-নির্যাতনের কারণে গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা পার্শ্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ার রামশীলে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
এই ঘটনা দেশ-বিদেশে আলোচিত হওয়ায় ওই সময়ে বিএনপি সরকার গঠনের পরে সেই সময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী শপথ গ্রহণ করে প্রথমেই আগৈলঝাড়া সফরে আসেন। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। বরিশাল-১ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪ হাজার ৩০৪ জন, মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৯টি।
এ বিষয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) বরিশাল জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আম প্রতীকের প্রার্থী টি এম তুহিন বলেন, ‘১৯ ডিসেম্বর সকাল থেকে গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছি। আজ বুধবার সকালে উপজেলা সদরে নেতা-কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেছি। আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারলে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’
এই আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী বলেন, ‘আমি নির্বাচনের জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে দুটি করে অফিস নেব। প্রতিটি অফিসে পাঁচটি করে চেয়ার থাকবে। নেতা-কর্মীরা গণসংযোগ করে ওই অফিসে এসে বিশ্রাম নেবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভোটাররা ভোট কেন্দ্র গিয়ে নিজের ইচ্ছায় ভোট দিতে পারলে আমি বিজয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।’
এ বিষয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পক্ষে আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘সারা দেশে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নসহ আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই নির্বাচনী এলাকার জনগণ পুনরায় বিপুল ভোটে তাঁকে নির্বাচিত করবে। আমার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বিজয়ে শতভাগ আশাবাদী।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে