বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি

ভোলার বোরহানউদ্দিনে অপচিকিৎসায় হাত-পা হারানো ৮ বছরের শিশু মো. তানভীর অবশেষে মারা গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তানভীর বোরহানউদ্দিন উপজেলার ফুলকাচিয়া গ্রামের মো. মোসলেমের ছেলে। সে চরমোনাই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করত।
পরিবারসূত্রে জানা গেছে, তানভীরের জ্বর হলে তার মা মোসা. মিতু তাকে ২৩ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালের গেট থেকে আকিব মেডিকেল হলের মালিক মো. আকিব উল্লাহ প্ররোচনা দিয়ে শিশুটিকে তাঁর ফার্মেসিতে নেন। সেখানে চিকিৎসক পরিচয় দেওয়া উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) মো. সফিকুল ইসলাম ডেঙ্গু আক্রান্তের কথা বলে শিশুটিকে চারটি ইনজেকশন প্রয়োগ করেন।
ইনজেকশন দেওয়ার পর তানভীরের হাতে কালো দানার মতো উঠতে থাকে এবং পর্যায়ে হাত-পায়ে পচন দেখা দেয়। পরে ভোলা, বরিশাল ও ঢাকায় শিশুটির চিকিৎসা করানো হয়। চিকিৎসা করাতে গিয়ে দরিদ্র পরিবারটি বসতভিটাসহ সব বিক্রি করে ৯ লাখ টাকা খরচ করে।
তানভীরের বাবা মোসলেম জানান, ১৯ জুলাই ঢাকা মেডিকেলের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাঁর ছেলের ডান পা ও দুই হাতের কবজি কেটে ফেলেছিলেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত হাসপাতালের ৫১৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিল সে।
মোসলেম বলেন, ‘সফিকুল ইসলাম ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয়ে ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন। ব্যবস্থাপত্রে শিশুর ডেঙ্গু হয়েছে উল্লেখ করা হলেও তার ডেঙ্গু হয়নি। ভুল চিকিৎসায় আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
শফিকুলের ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে শিশু তানভীরের মা মিতু ১৫ জুলাই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় ১৯ জুলাই বোরহানউদ্দিন হাসপাতালের সামনে থেকে শফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অপর আসামি ফার্মেসি মালিক আকিব এখনো গ্রেপ্তার হননি।

ভোলার বোরহানউদ্দিনে অপচিকিৎসায় হাত-পা হারানো ৮ বছরের শিশু মো. তানভীর অবশেষে মারা গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তানভীর বোরহানউদ্দিন উপজেলার ফুলকাচিয়া গ্রামের মো. মোসলেমের ছেলে। সে চরমোনাই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করত।
পরিবারসূত্রে জানা গেছে, তানভীরের জ্বর হলে তার মা মোসা. মিতু তাকে ২৩ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালের গেট থেকে আকিব মেডিকেল হলের মালিক মো. আকিব উল্লাহ প্ররোচনা দিয়ে শিশুটিকে তাঁর ফার্মেসিতে নেন। সেখানে চিকিৎসক পরিচয় দেওয়া উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) মো. সফিকুল ইসলাম ডেঙ্গু আক্রান্তের কথা বলে শিশুটিকে চারটি ইনজেকশন প্রয়োগ করেন।
ইনজেকশন দেওয়ার পর তানভীরের হাতে কালো দানার মতো উঠতে থাকে এবং পর্যায়ে হাত-পায়ে পচন দেখা দেয়। পরে ভোলা, বরিশাল ও ঢাকায় শিশুটির চিকিৎসা করানো হয়। চিকিৎসা করাতে গিয়ে দরিদ্র পরিবারটি বসতভিটাসহ সব বিক্রি করে ৯ লাখ টাকা খরচ করে।
তানভীরের বাবা মোসলেম জানান, ১৯ জুলাই ঢাকা মেডিকেলের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাঁর ছেলের ডান পা ও দুই হাতের কবজি কেটে ফেলেছিলেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত হাসপাতালের ৫১৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিল সে।
মোসলেম বলেন, ‘সফিকুল ইসলাম ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয়ে ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন। ব্যবস্থাপত্রে শিশুর ডেঙ্গু হয়েছে উল্লেখ করা হলেও তার ডেঙ্গু হয়নি। ভুল চিকিৎসায় আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
শফিকুলের ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে শিশু তানভীরের মা মিতু ১৫ জুলাই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় ১৯ জুলাই বোরহানউদ্দিন হাসপাতালের সামনে থেকে শফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অপর আসামি ফার্মেসি মালিক আকিব এখনো গ্রেপ্তার হননি।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
২ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে