কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় নিয়োগ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলেজের এক সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবুল কালাম আজাদের আদালতে এ পরোয়ারা জারি করা হয়।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম আবুল বসার বাদশা। তিনি আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলার বানাই গ্রামের মৃত মোমিন উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
জানা যায়, আবুল বসার বাদশা আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে ৩১ মার্চ ২০১৫ তারিখ যোগদান করে ৩০ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। পরে ১ মে ২০১৬ তারিখে সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে ওই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। তারপর থেকে তিনি কলেজের নিয়োগ বাণিজ্য, নিয়োগ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও কলেজের তহবিল থেকে ৫১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব অভিযোগে গত ১০ মার্চ ২০২০ তারিখে তাঁকে কলেজ থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।
পরে কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমীর কুমার সাহাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বাদী হয়ে নিয়োগ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে ঝালকাঠি আদালতে তিনি এ মামলা দায়ের করেন।
আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সমীর কুমার সাহা বলেন, ‘বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আবুল বসার বাদশা সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছেন। কলেজ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছি। এ মামলায় সিআইডির দীর্ঘ তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আবুল বসার বাদশার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।’
এ বিষয়ে জানতে বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আবুল বসার বাদশাকে মোবাইলে কল করা হলে তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় নিয়োগ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলেজের এক সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবুল কালাম আজাদের আদালতে এ পরোয়ারা জারি করা হয়।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম আবুল বসার বাদশা। তিনি আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলার বানাই গ্রামের মৃত মোমিন উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
জানা যায়, আবুল বসার বাদশা আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে ৩১ মার্চ ২০১৫ তারিখ যোগদান করে ৩০ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। পরে ১ মে ২০১৬ তারিখে সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে ওই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। তারপর থেকে তিনি কলেজের নিয়োগ বাণিজ্য, নিয়োগ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও কলেজের তহবিল থেকে ৫১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব অভিযোগে গত ১০ মার্চ ২০২০ তারিখে তাঁকে কলেজ থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।
পরে কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমীর কুমার সাহাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বাদী হয়ে নিয়োগ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে ঝালকাঠি আদালতে তিনি এ মামলা দায়ের করেন।
আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সমীর কুমার সাহা বলেন, ‘বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আবুল বসার বাদশা সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছেন। কলেজ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছি। এ মামলায় সিআইডির দীর্ঘ তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আবুল বসার বাদশার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।’
এ বিষয়ে জানতে বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আবুল বসার বাদশাকে মোবাইলে কল করা হলে তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৫ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে