কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ফানুস উৎসব, ঘোড়দৌড় ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল কুয়াকাটা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পরে কুয়াকাটার আকাশে ফানুস ওড়ানো হয়। এর আগে সৈকতে ঘোড়দৌড়, বিচ ভলিবল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
সৈকতে ৬০টি স্টলের মাধ্যমে বরিশালের আঞ্চলিক পণ্য ও কিছু খাবার প্রদর্শন করা হয়। পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে দুই দিন ব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে টুরিজম বোর্ড এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
এদিকে অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয়ভাবে যেভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে, সে অনুযায়ী পর্যটক দর্শনার্থীদের মন জয় করতে পারেনি আয়োজকেরা। সন্ধ্যার পরে ছিল না কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীরা হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। দ্বিতীয় দিন শুধু একটি সেমিনারের মধ্য দিয়ে শেষ হয় কুয়াকাটা উৎসব। সাদামাটা আয়োজনে হতাশ আগতরা।
কুয়াকাটা শিল্পীগোষ্ঠীর পরিচালক সাংবাদিক হোসাইন আমির জানান, কুয়াকাটা শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীরা মঞ্চ প্রোগ্রাম, সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে পর্যটকসহ স্থানীয়দের বিনোদন দিয়ে আসছে। গত বিচ কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের প্রাধান্য দিয়েছেন। এবার কুয়াকাটা উৎসবে তাঁদের ডাকা হয়নি। স্থানীয় আয়োজকেরা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে তাদের এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আ. বারেক মোল্লা জানান, টুরিজম বোর্ডের অনুষ্ঠানের বিষয়ে তাঁরা কিছুই জানেন না। অনুষ্ঠানে স্থানীয়ভাবে যাঁরা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের অনেকেই সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাঁরা বেছে বেছে চিঠি দিয়েছেন। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদারও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, তাঁকে এবং তাঁর পৌর পরিষদকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ফানুস উৎসব, ঘোড়দৌড় ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল কুয়াকাটা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পরে কুয়াকাটার আকাশে ফানুস ওড়ানো হয়। এর আগে সৈকতে ঘোড়দৌড়, বিচ ভলিবল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
সৈকতে ৬০টি স্টলের মাধ্যমে বরিশালের আঞ্চলিক পণ্য ও কিছু খাবার প্রদর্শন করা হয়। পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে দুই দিন ব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে টুরিজম বোর্ড এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
এদিকে অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয়ভাবে যেভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে, সে অনুযায়ী পর্যটক দর্শনার্থীদের মন জয় করতে পারেনি আয়োজকেরা। সন্ধ্যার পরে ছিল না কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীরা হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। দ্বিতীয় দিন শুধু একটি সেমিনারের মধ্য দিয়ে শেষ হয় কুয়াকাটা উৎসব। সাদামাটা আয়োজনে হতাশ আগতরা।
কুয়াকাটা শিল্পীগোষ্ঠীর পরিচালক সাংবাদিক হোসাইন আমির জানান, কুয়াকাটা শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীরা মঞ্চ প্রোগ্রাম, সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে পর্যটকসহ স্থানীয়দের বিনোদন দিয়ে আসছে। গত বিচ কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের প্রাধান্য দিয়েছেন। এবার কুয়াকাটা উৎসবে তাঁদের ডাকা হয়নি। স্থানীয় আয়োজকেরা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে তাদের এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আ. বারেক মোল্লা জানান, টুরিজম বোর্ডের অনুষ্ঠানের বিষয়ে তাঁরা কিছুই জানেন না। অনুষ্ঠানে স্থানীয়ভাবে যাঁরা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের অনেকেই সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাঁরা বেছে বেছে চিঠি দিয়েছেন। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদারও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, তাঁকে এবং তাঁর পৌর পরিষদকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে