ভোলা সংবাদদাতা

ভোলায় প্রাপ্ত গ্যাস জেলার মানুষের ঘরে ঘরে দেওয়া, ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে সমাবেশ করেছেন জেলার বাসিন্দারা।
রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে ভোলা শহরের বাংলা স্কুল মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সামাজিক সংগঠন ‘আগামীর ভোলা’র মুখপাত্র মীর মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন।
তিনি বলেন, ভোলার গ্যাস জেলার মানুষের ঘরে ঘরে সরবরাহ, ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলে গ্যাসভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে তোলা, ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণ বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে।
জসিমউদ্দিন বলেন, ‘কর্মসূচির মধ্যে ২৭ এপ্রিল রোববার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সচিবালয় ঘেরাও করতে বাধ্য হব। দরকার হলে প্রত্যেক উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করব। দাবি আদায় না হলে আমরা ভোলাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ভোলা স্ট্রাইক করে দেব। ভোলা থেকে কোনো কিছু বাইরে যাবে না। এরপরেও যদি দাবি মানা না হয়, ভোলা থেকে কর প্রদান বন্ধ করে দেব। সরকার যদি এর জন্য কোনো অ্যাকশনে যায়, ঐক্যবদ্ধভাবে তা রুখে দেওয়া হবে।’
সমাবেশে বদ্বীপ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক মীর মোশারেফ হোসেন অমী, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রাইসুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, নারী নেত্রী খালেদা খানম, জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, জামায়াতে ইসলামী ভোলা পৌর শাখার সভাপতি মো. জামাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রাহিমসহ বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, বিজেপি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দেন।
সমাবেশে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবীসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
ভোলায় যে তিন দাবিতে এলাকার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন, সেই দাবিগুলো যৌক্তিক এবং জনসম্পৃক্ত উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান বলেন, এসব দাবিসংবলিত স্মারকলিপি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ভোলায় প্রাপ্ত গ্যাস জেলার মানুষের ঘরে ঘরে দেওয়া, ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে সমাবেশ করেছেন জেলার বাসিন্দারা।
রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে ভোলা শহরের বাংলা স্কুল মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সামাজিক সংগঠন ‘আগামীর ভোলা’র মুখপাত্র মীর মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন।
তিনি বলেন, ভোলার গ্যাস জেলার মানুষের ঘরে ঘরে সরবরাহ, ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলে গ্যাসভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে তোলা, ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণ বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে।
জসিমউদ্দিন বলেন, ‘কর্মসূচির মধ্যে ২৭ এপ্রিল রোববার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সচিবালয় ঘেরাও করতে বাধ্য হব। দরকার হলে প্রত্যেক উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করব। দাবি আদায় না হলে আমরা ভোলাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ভোলা স্ট্রাইক করে দেব। ভোলা থেকে কোনো কিছু বাইরে যাবে না। এরপরেও যদি দাবি মানা না হয়, ভোলা থেকে কর প্রদান বন্ধ করে দেব। সরকার যদি এর জন্য কোনো অ্যাকশনে যায়, ঐক্যবদ্ধভাবে তা রুখে দেওয়া হবে।’
সমাবেশে বদ্বীপ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক মীর মোশারেফ হোসেন অমী, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রাইসুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, নারী নেত্রী খালেদা খানম, জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, জামায়াতে ইসলামী ভোলা পৌর শাখার সভাপতি মো. জামাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রাহিমসহ বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, বিজেপি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দেন।
সমাবেশে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবীসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
ভোলায় যে তিন দাবিতে এলাকার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন, সেই দাবিগুলো যৌক্তিক এবং জনসম্পৃক্ত উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান বলেন, এসব দাবিসংবলিত স্মারকলিপি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে