বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
খান রফিক, বরিশাল

বিশ্ববিদ্যালয় আইন কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য শুচিতা শরমিন। তিনি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর আবেদনকারীদের মধ্য থেকে নিয়োগ না দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে নিয়োগ দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) থেকে ফিরিয়ে এনে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন; এ জন্য কারও সঙ্গে পরামর্শ করেননি উপাচার্য শুচিতা শরমিন।
ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে হলে এই পদে লোক চেয়ে দুবার বিজ্ঞাপন দিতে হবে। তখন না পেলে সিন্ডিকেটে তুলতে হবে। সিন্ডিকেট সেখানে সিদ্ধান্ত দেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হবে কি না। তবে ববিতে উল্টো ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি পিআরএলে যান। তাঁর পিআরএল ছুটি স্থগিত করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য। জানা গেছে, রেজিস্ট্রার মনিরুলকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের চেস্টা চলছে।
জানতে চাইলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সাবেক রেজিস্ট্রার মুহসীন উদ্দিন আজকের পত্রিকা’কে বলেন, ‘অবসরে যাওয়া রেজিস্ট্রারকে যে চিঠি ভিসি দিয়েছেন, এর অর্থ হলো, তাঁকে অবসরে যেতে দেওয়া হয়নি, বরং তিনি কাজ চালিয়ে যাবেন। অবসরের পরও এটা কী করে সম্ভব?’ তিনি বলেন, ‘রেজিস্ট্রারের নিয়োগ যেহেতু বৈধ নয়, সেহেতু ১ ফেব্রুয়ারির পর রেজিস্ট্রার মনিরুল যেসব দাপ্তরিক স্বাক্ষর করেছেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে।’
এদিকে পিএ টু ভিসি পদে একজনের নিয়োগ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এক আদেশে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সাকিব হোসেন নামের একজনকে চুক্তিভিত্তিক এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে লেখাপড়া করেছেন সাকিব।
এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম বলেন, এটা নিয়ম মেনে করা হয়েছে। এ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও প্রার্থীদের চিন্তার কারণ নেই। তাঁকে (সাকিব) এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শতাধিক চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে ববি ট্রেজারার মামুন অর রশিদ বলেন, রেজিস্ট্রারকে যে পদ্ধতিতে নতুন করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেটি আসলে সঠিক হয়নি। রেজিস্ট্রার পিআরএলে গেছেন, তা জানেন। তারপর কীভাবে তাঁকে এভাবে দায়িত্ব দেওয়া হলো, সে বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে কোনো মতামত নেওয়া হয়নি। পিএ টু ভিসি পদে যে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও তাঁর মতামত নেওয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সাবেক রেজিস্ট্রার মুহসীন উদ্দিন বলেন, পিএ টু ভিসি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যাবে না। কারণ, ওই পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে এবং শতাধিক প্রার্থী আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য গোলাম রাব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু স্টাফকে এখনো স্থায়ী করা হয়নি। অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক রয়েছেন। প্রয়োজনে তাঁদের কাজে লাগানো যায়। কিন্তু চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ তিনি সমর্থন করেন না।
আরও খবর পড়ুন:

বিশ্ববিদ্যালয় আইন কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য শুচিতা শরমিন। তিনি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর আবেদনকারীদের মধ্য থেকে নিয়োগ না দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে নিয়োগ দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) থেকে ফিরিয়ে এনে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন; এ জন্য কারও সঙ্গে পরামর্শ করেননি উপাচার্য শুচিতা শরমিন।
ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে হলে এই পদে লোক চেয়ে দুবার বিজ্ঞাপন দিতে হবে। তখন না পেলে সিন্ডিকেটে তুলতে হবে। সিন্ডিকেট সেখানে সিদ্ধান্ত দেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হবে কি না। তবে ববিতে উল্টো ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি পিআরএলে যান। তাঁর পিআরএল ছুটি স্থগিত করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য। জানা গেছে, রেজিস্ট্রার মনিরুলকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের চেস্টা চলছে।
জানতে চাইলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সাবেক রেজিস্ট্রার মুহসীন উদ্দিন আজকের পত্রিকা’কে বলেন, ‘অবসরে যাওয়া রেজিস্ট্রারকে যে চিঠি ভিসি দিয়েছেন, এর অর্থ হলো, তাঁকে অবসরে যেতে দেওয়া হয়নি, বরং তিনি কাজ চালিয়ে যাবেন। অবসরের পরও এটা কী করে সম্ভব?’ তিনি বলেন, ‘রেজিস্ট্রারের নিয়োগ যেহেতু বৈধ নয়, সেহেতু ১ ফেব্রুয়ারির পর রেজিস্ট্রার মনিরুল যেসব দাপ্তরিক স্বাক্ষর করেছেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে।’
এদিকে পিএ টু ভিসি পদে একজনের নিয়োগ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এক আদেশে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সাকিব হোসেন নামের একজনকে চুক্তিভিত্তিক এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে লেখাপড়া করেছেন সাকিব।
এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম বলেন, এটা নিয়ম মেনে করা হয়েছে। এ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও প্রার্থীদের চিন্তার কারণ নেই। তাঁকে (সাকিব) এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শতাধিক চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে ববি ট্রেজারার মামুন অর রশিদ বলেন, রেজিস্ট্রারকে যে পদ্ধতিতে নতুন করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেটি আসলে সঠিক হয়নি। রেজিস্ট্রার পিআরএলে গেছেন, তা জানেন। তারপর কীভাবে তাঁকে এভাবে দায়িত্ব দেওয়া হলো, সে বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে কোনো মতামত নেওয়া হয়নি। পিএ টু ভিসি পদে যে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও তাঁর মতামত নেওয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সাবেক রেজিস্ট্রার মুহসীন উদ্দিন বলেন, পিএ টু ভিসি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যাবে না। কারণ, ওই পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে এবং শতাধিক প্রার্থী আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য গোলাম রাব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু স্টাফকে এখনো স্থায়ী করা হয়নি। অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক রয়েছেন। প্রয়োজনে তাঁদের কাজে লাগানো যায়। কিন্তু চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ তিনি সমর্থন করেন না।
আরও খবর পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে