
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। আজ সোমবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে গত বছরের ২৭ নভেম্বর সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে তাঁকেসহ তিন আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।
খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দুই আসামি হলেন—প্রয়াত হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। যা আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান। তারই ধারাবাহিকতায় শুনানি শেষে পৃথক দুই আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় ওই মামলা করে দুদক। ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এই মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। পরে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

কাঁঠালতলী থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার দীর্ঘ শ্রীমন্ত নদের বেড়িবাঁধে ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় বন বিভাগ গাছ রোপণ করে। বর্তমানে এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার এলাকায় বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ চলছে।
৭ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শহীদ রিয়া গোপ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে গ্যালারি, ড্রেসিংরুম, প্রেসবক্সসহ সবকিছু। এর মধ্যে নাটবল্টু খুলে নিয়ে যাওয়ায় ফ্লাডলাইট টাওয়ারটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
১০ মিনিট আগে
দুপুরের গুলিস্তানকে একটু অচেনাই লাগছিল। কয়েক দিন আগেও যেখানে সারি সারি অবৈধ দোকানের জন্য ফুটপাত বা রাস্তার ধার দিয়ে স্বস্তিতে হাঁটার উপায় ছিল না, সেই জায়গা সোমবার দেখা গেল একদম ফাঁকা। রাস্তায় মানুষ হেঁটে যাচ্ছে স্বস্তিতে, পথ চলতে দোকানের জন্য থমকে যেতে হচ্ছে না।
১৯ মিনিট আগে
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী এখন হুমকির মুখে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধ বালু উত্তোলন ও চর কেটে নেওয়ায় নদীর জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, ঝুঁকিতে পড়ছে শতাধিক বসতবাড়ি ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় বালু লুট চলছে।
২৭ মিনিট আগে