তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্থগিত নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এ ইউপির ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
এ ইউপিতে গত ১৫ জুন ভোট হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ঘিরে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষুণ্ন হওয়ায় সে সময় নির্বাচন স্থগিত করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পরে গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে আজ ২৯ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সোনাকাটা ইউপিতে মোট ভোটার ৯ হাজার ২৩৬ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬২০ জন পুরুষ এবং ৪ হাজার ৬১৬ জন নারী। মোট ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে।
এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কয়েকটি কেন্দ্রে দেখা গেছে, পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি। ইভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মস্তফা কামাল বলেন, ‘আশা করছি কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারব।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আছে র্যাবের টহল দল। এ ছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করছেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম সাদিক তানভীর বলেন, নির্বাচন ঘিরে সোনাকাটা ইউপিতে দফায় দফায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই নির্বাচন কমিশন এ ইউপির নির্বাচন স্থগিত করেছিল। পরবর্তী ঘোষণা অনুযায়ী আজ এ ইউপির নির্বাচন হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কয়েক স্তরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্থগিত নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এ ইউপির ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
এ ইউপিতে গত ১৫ জুন ভোট হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ঘিরে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষুণ্ন হওয়ায় সে সময় নির্বাচন স্থগিত করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পরে গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে আজ ২৯ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সোনাকাটা ইউপিতে মোট ভোটার ৯ হাজার ২৩৬ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬২০ জন পুরুষ এবং ৪ হাজার ৬১৬ জন নারী। মোট ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে।
এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কয়েকটি কেন্দ্রে দেখা গেছে, পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি। ইভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মস্তফা কামাল বলেন, ‘আশা করছি কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারব।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আছে র্যাবের টহল দল। এ ছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করছেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম সাদিক তানভীর বলেন, নির্বাচন ঘিরে সোনাকাটা ইউপিতে দফায় দফায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই নির্বাচন কমিশন এ ইউপির নির্বাচন স্থগিত করেছিল। পরবর্তী ঘোষণা অনুযায়ী আজ এ ইউপির নির্বাচন হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কয়েক স্তরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে