নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

মসজিদের মাসিক চাঁদা বকেয়া থাকায় মো. ইরফান (২৮) নামের স্থানীয় এক বাসিন্দার মরদেহ দাফন করতে দেননি মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আক্কাস আলী। এমনকি মসজিদের খাটিয়া ব্যবহার এবং মৃত ব্যক্তির জানাজায় সমাজের মসজিদের ইমামকেও ইমামতি করতে দেননি বলে জানা যায়। গতকাল বুধবার বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইংছা বদুরঝিরি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ইংছা বদুরঝিরি এলাকার বাসিন্দা ইরফান গত মঙ্গলবার কক্সবাজারে মারা যান। মরদেহ রাতেই দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি লামার বদুরঝিরিতে নিয়ে আসা হয়। গতকাল বুধবার সকালে তাঁকে দাফন করতে গেলে মসজিদের ছয় মাসের মাসিক চাঁদা বকেয়া থাকায় স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করতে দেননি আক্কাস আলী। মসজিদের খাটিয়া ব্যবহার করা ও মসজিদের ইমামকে জানাজা পড়াতে নিষেধ করেন তিনি। পরে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে অন্য একটি কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী পুয়াংবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আবদুল মালেককে এনে জানাজা পড়ানো হয়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. কামাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, বুধবার সকালে বদুরঝিরিতে ঝামেলা হয়েছে। মৃত ইরফানের কিছু বকেয়া (মসজিদের মাসিক চাঁদা) থাকায় তাঁকে দাফন করতে দেননি কমিটির সভাপতি। এ বিষয়ে আগামী শুক্রবার জুমার দিনে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।
ইরফানের শ্বশুর মো. কবির আহাম্মদ বলেন, ‘আমার জামাই কক্সবাজারের হাসপাতালে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। দাফন করতে গেলে মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আক্কাস আলী মসজিদের কবরস্থানে দাফন এবং ইমামকে জানাজা পড়াতে দেননি।’
এ ব্যাপারে বদুরঝিরি মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আলী আক্কাসের সঙ্গে তাঁর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করা হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কল কেটে দেন এবং মোবাইল বন্ধ করে দেন তিনি।
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই অমানবিক। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমিও খোঁজখবর নিচ্ছি। এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে ব্যবস্থা নেব।’

মসজিদের মাসিক চাঁদা বকেয়া থাকায় মো. ইরফান (২৮) নামের স্থানীয় এক বাসিন্দার মরদেহ দাফন করতে দেননি মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আক্কাস আলী। এমনকি মসজিদের খাটিয়া ব্যবহার এবং মৃত ব্যক্তির জানাজায় সমাজের মসজিদের ইমামকেও ইমামতি করতে দেননি বলে জানা যায়। গতকাল বুধবার বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইংছা বদুরঝিরি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ইংছা বদুরঝিরি এলাকার বাসিন্দা ইরফান গত মঙ্গলবার কক্সবাজারে মারা যান। মরদেহ রাতেই দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি লামার বদুরঝিরিতে নিয়ে আসা হয়। গতকাল বুধবার সকালে তাঁকে দাফন করতে গেলে মসজিদের ছয় মাসের মাসিক চাঁদা বকেয়া থাকায় স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করতে দেননি আক্কাস আলী। মসজিদের খাটিয়া ব্যবহার করা ও মসজিদের ইমামকে জানাজা পড়াতে নিষেধ করেন তিনি। পরে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে অন্য একটি কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী পুয়াংবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আবদুল মালেককে এনে জানাজা পড়ানো হয়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. কামাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, বুধবার সকালে বদুরঝিরিতে ঝামেলা হয়েছে। মৃত ইরফানের কিছু বকেয়া (মসজিদের মাসিক চাঁদা) থাকায় তাঁকে দাফন করতে দেননি কমিটির সভাপতি। এ বিষয়ে আগামী শুক্রবার জুমার দিনে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।
ইরফানের শ্বশুর মো. কবির আহাম্মদ বলেন, ‘আমার জামাই কক্সবাজারের হাসপাতালে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। দাফন করতে গেলে মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আক্কাস আলী মসজিদের কবরস্থানে দাফন এবং ইমামকে জানাজা পড়াতে দেননি।’
এ ব্যাপারে বদুরঝিরি মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আলী আক্কাসের সঙ্গে তাঁর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করা হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কল কেটে দেন এবং মোবাইল বন্ধ করে দেন তিনি।
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই অমানবিক। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমিও খোঁজখবর নিচ্ছি। এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে ব্যবস্থা নেব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে